বৃহস্পতিবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্রগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বিনোদন
  15. ব্যাবসা-বাণিজ্য

সপ্তাহের ৫ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খাবার পাবে

প্রতিবেদক
Newsdesk
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৫ ৪:৪১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, সপ্তাহের ৫ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা খাবার পাবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার মান বাড়াতে মিড ডে মিলের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী একনেকে মিড ডে মিল এর বিষয়টা পাস করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৫০টি উপজেলায এবং ৬২ টা জেলা মিড ডে মিলের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র জরিপ অনুযায়ী এসব এলাকা বাছাই করা হয়েছে। আমরা শুধু বিস্কুট দিবো না, শিক্ষার্থীদের পুষ্টির দিকে লক্ষ্য রেখে পর্যায়ক্রমে ডিম, দুধ, পাউরুটি ও ফলসহ নানা খাবার পরিবেশন করা হবে।

আজ ঢাকার বিআইসিসির মিডিয়াবাজার মিলনায়তনে জিপিই ও মালালা ফান্ড এর সহযোগিতায় গণসাক্ষরতা অভিযান-এর আয়োজনে ‘শিক্ষার হালচাল ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।।

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধূরীর সঞ্চালনায় এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এর চেয়ারপার্সন অধ্যাপক রেহমান সোবহান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ অনুবিভাগ) রবিউল ইসলাম।

আলোচক ছিলেন সিপিডি’র ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শারমিন্দ নিলোর্মী।

গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান তার প্রবন্ধে ভবিষ্যতের শিক্ষাভাবনা ও নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা তুলে ধরেন।

রেহমান সোবহান বলেন, বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান দক্ষতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, সিঙ্গাপুর এবং চায়নায় দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই বিশ্বমানের শিক্ষায় তারা শিক্ষিত হয়েছে। সমস্যা হচ্ছে আমরা শিক্ষার্থীদের গুণগত মান সম্পন্ন শিক্ষা দিচ্ছি না। আমাদের সময়ে পাকিস্তান আমলেও বিশ্বের বিশ্বমানের শিক্ষা পদ্ধতি ছিল। এখন আমরা পিছনে যাচ্ছি। শুধু বাজেট করলে হবে না, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুণগত মান করতে হবে। কোয়ালিটি সোশিয়ালিজম নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন,বৈশ্বিক পরিবর্তনের সাথে সাথে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন না হলে শিক্ষার্থীরা জীবন মান উন্নয়ন ও চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়বে।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরিটাস এবং প্রাথমিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিষয়ক কনসালটেশন কমিটির আহ্বায়ক ড. মনজুর আহমদ।

সভায় প্যানেল আলোচনায় ও বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আরো বক্তৃতা করেন মোহাম্মদপুর থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাইয়ার সুলতানা লিপি, শিক্ষক সংগঠক অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ, ইয়ূথ এগেইনস্ট হাঙ্গারের আহবায়ক ও সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দিন শিহাব, ভাষানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চাঁদনী আক্তার ফাতেমা, আঁখি খাতুন, সরকারি আইডিয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নোমান, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি আমেনা ইসলাম কেয়া এবং অভিভাবক গোলাম আজম।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক শরমিন্দ নীলোর্মি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য নিরসনের যে স্পিরিট সেটা যেন আমরা ভুলে না যাই। কাউকে পেছনে ফেলে নয়, যে যে পিছিয়ে আছে, তাদেরক সামনে এগিয়ে নিতে যে যে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন তাই নিতে হবে। শিক্ষা থেকে যদি আমরা সোশ্যাল মবলিটি না পাই, তবে ভালো শিক্ষক পাওয়া যাবে না।

সর্বশেষ - জেলার খবর