শুক্রবার , ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্রগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বিনোদন
  15. ব্যাবসা-বাণিজ্য

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ‘শ্লীলতাহানি’র তিন দিন পর মামলা

প্রতিবেদক
Newsdesk
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫ ৭:২৮ অপরাহ্ণ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ইউনিক রোড রয়েলসের ‘আমরি ট্রাভেলস’ নামে একটি বাসে ডাকাতি ও নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় মির্জাপুর থানায় মামলা হয়েছে।

ঘটনার তিন দিন পর শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওমর আলী নামে ওই বাসের এক যাত্রী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে বাসটিতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। যদিও ডাকাতির সময় দুই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে সেসময় অভিযোগ ওঠে। তবে ওমর আলীর বর্ণনামতে, শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে।

বাদী জানান, সোমবার রাত ১১টায় ঢাকার গাবতলী থেকে বাসটি ছেড়ে আসে। সাড়ে ১২টার দিকে বাসটিতে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কয়েকজনকে রক্তাক্ত করে ডাকাতি শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বাসটিকে বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানি করে বাস থামিয়ে ডাকাতদল নেমে যায়।

ডাকাতরা বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর চালক বাসটি নিয়ে গন্তব্যে যেতে অস্বীকৃতি জানান। পরে যাত্রীদের চাপের মুখে বাস নিয়ে যাত্রা শুরু করেন চালক। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুযারি) বেলা ১১টার পর যাত্রীরা বাসটি বড়াইগ্রাম থানায় নিয়ে যান।

মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে বাসটি বড়াইগ্রাম থানায় ঢোকানো হয়। এসময় ডাকাতিতে জড়িত সন্দেহে বাসের চালক বাবলু আলী (৩০), সুপারভাইজার সুমন ইসলাম (৩৩) ও হেলপার মাহবুব আলমকে (২৮) আটক করে ৫৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠায় বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ। পরে তারা আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পান।

এ বিষয়ে বুধবার জানাজানি হওয়ার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। অবশেষে ঘটনার তিনদিন পর মির্জাপুর থানা মামলা নেওয় হয়।

বাসটি বড়াইগ্রামে পৌঁছার পর মজনু আকন্দ নামে এক যাত্রী জানিয়েছিলেন, সেদিন রাত ১১টার দিকে রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজশাহী যাওয়ার জন্য ছেড়ে যায় বাসটি। কিছুক্ষণ পর আটজন ডাকাত ছুরি এবং পিস্তল নিয়ে বাসের চালকসহ সবাইকে জিম্মি করে। এসময় বাসের ৫০ জন যাত্রীর কাছ থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে নেয় এবং দুই নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে।

পরে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানা এলাকার ফাঁকা স্থানে নেমে পালিয়ে যায় ডাকাত দল।

ওই যাত্রী আরও বলেন, বিষয়টি মির্জাপুর থানায় জানানো হলেও তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। পরে যাত্রীদের চাপের মুখে চালক বাসটি নাটোরের বড়াইগ্রাম থানায় নিতে বাধ্য হন। যাত্রীদের কাছে ডাকাতির বর্ণনা শুনে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ চালক, হেলপার আর সুপারভাইজারকে আটক করে মামলা নেয়।

সর্বশেষ - জেলার খবর