নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানান, এ বছর দেশে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
রোববার (৩ মে) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী জানান, এ বছর সারাদেশে কোরবানিযোগ্য গবাদি পশুর সম্ভাব্য চাহিদা এক কোটি এক লাখ ছয় হাজার ৩৩৪টি। বিপরীতে পশুর প্রাপ্যতা রয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় এ বছর দেশে ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা চাই অন্য দেশের গরু এসে যেন দেশীয় কৃষকদের ক্ষতি করতে না পারে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পশু আসা বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।
পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর ইনজেকশন ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, সীমান্তে বা হাটে এমন কোনো ক্ষতিকর পণ্য পাওয়া গেলে তা সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে।
রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এবার মোট ২৭টি পশুর হাট বসবে বলে জানান মন্ত্রী। হাটে অর্থ লেনদেনের নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপর থাকবে যাতে লেনদেনে কোনো ঝুঁকি তৈরি না হয়।
অনলাইনে পশু কেনাবেচাকে উৎসাহিত করে মন্ত্রী ঘোষণা দেন, অনলাইনে পশু কেনা-বেচার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের খাজনা দিতে হবে না। এছাড়া কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তিনি জানান, কোরবানির দিনের বর্জ্য দিনেই অপসারণ করা হবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও জানান, হাওরাঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে সরকার। বন্যায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, আগামী তিন মাস তাদের সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।


















