অপরাধচিত্র প্রতিবেদক: রাজধানীর মিরপুর দারুস সালাম থানা এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ গেস্ট হাউজ কিংবা আবাসিক হোটেলগুলো রীতিমত পতিতালয়ে পরিণত হয়েছে। হোটেল কেন্দ্রিক এসব পতিতালয় ঘিরে পরিচালিত হচ্ছে মাদক ব্যবসা। এসব হোটেলগুলো এখন অপরাধিদের অভয়ারণ্যে পরিত হয়েছে।
মিরপুর এলাকায় গড়ে ওঠা আবাসিক হোটেল নামের পতিতালয়গুলোর মধ্যে বিশেষ আলোচিত ‘হোটেল গার্ডেন ভিউ’। এই হোটেলের আড়ালে দেহব্যবসায়ীদের গডফাদার হচ্ছেন কদু আজাদ ও জগদীশ। এরা শুধু অসহায় নারীদের দিয়ে বাধ্য করে দেহব্যবসা করছে এমন নয়- এদের ছত্রছায়ায় এলাকার পাতি মাস্তান থেকে শুরু করে ছিনতাইকারীরা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
অসাধু ব্যবসায়ীদের দালালচক্র মিরপুরের সড়কে বা রাস্তা ঘাটে খদ্দের সংগ্রহ করার জন্য ওৎ পেতে থাকে। এদের এমনই এক আহ্বানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক জামায়াত নেতা বিব্রত হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি দলের ফোরামে আলোচনা করবেন’। তিনি আরও বলেন, ‘এরা প্রকাশ্যে দিনে-দুপুরে এমন গরহিত কাজ করছেন তা কি স্থানীয় প্রশাসন জানে না? অবশ্যই জানেন এবং নিয়মিত মাসোয়ারা দিয়ে নির্বঘ্নে এরা অনৈতিক কার্যকলাপ করছেন।’
এ প্রতিবেদক খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, নারী ব্যবসায়ের গডফদার ‘কদু আজাদ-জগদীশ’ বাণিজ্যের প্রসারের জন্য অনলাইন মাধ্যমকেও বেছে নিয়েছেন। এরা ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটকের মতে স্যোসাল মিডিয়া ব্যবহার করছে দেহব্যবসার প্রসারের জন্য।
এ প্রতিবেদক নিজস্ব সূত্রের মাধ্যমে অনৈতিক কার্যকলাপের একটি ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন। যেখানে দেখা যায় হোটেলটির সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে ফ্রেশ কিন্তু ভিতরে চলে মাদক ও দেহ ব্যবসার রমরমা আয়োজন।
কে এই জগদীশ : জানা যায়, বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় হত-দরিদ্রঘরের সন্তান হওয়ায় রুটি রুজির সন্ধানে ঢাকায় এসে মিরপুরে আস্তানা গেরে শুরু করেন নানাবিধ অপরাধমূলক কাজ। প্রথমে মাদক সেবন তারপর মাদক বেচাকেনার পাশাপাশি হোটের বয়ের চাকরির সুবাদে নারি সাপ্লাইয়ার থেকে মিরপুরের কদু আজাদের সাথে পার্টনারে নারী ব্যবসা শুরু করে। মিরপুরে মাদক কারবারি, সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা বানিয়েছন ‘হোটেল গার্ডেন ভিউ’।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এদের প্রতিহত করবে যারা প্রশাসনের লোকজনই এখানে নিয়মিত আসেন-বসেন, আমোদ-ফূর্তি করেন, যাওয়ার সময় পকেট ভাড়ি করে নিয়ে যান ‘মাসোয়ারা’।















