মঙ্গলবার , ৩১ মার্চ ২০২৬ | ১৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘গোপন বৈঠক’ নিয়ে ট্রাম্প ও গালিবাফের বিপরীত দাবি

প্রতিবেদক
Newsdesk
মার্চ ৩১, ২০২৬ ৮:১৫ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে ‘গোপন বৈঠক’ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন গালিবাফ। উল্টো তিনি অভিযোগ করেছেন, আলোচনার নাম করে যুক্তরাষ্ট্র আসলে স্থল হামলার ছক কষছে। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমরা ইরানের স্পিকারের সঙ্গে কথা বলছি। একই সঙ্গে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া অপর এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইঙ্গিত দেন, খুব শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে। তবে আলোচনার কথা বললেও হুমকির সুর নরম করেননি ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত চুক্তি না হলে এবং হরমজ প্রণালি উন্মুক্ত না করলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলখনি এবং পানি শোধনাগারগুলো বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে। এমনকি ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখলের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্পের বলেছেন, ‘আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরানের তেল নিয়ে নেওয়া।’

ইরানের স্পিকার গালিবাফ ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে ‘শত্রুর চাল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘শত্রু প্রকাশ্যে সংলাপের বার্তা দিচ্ছে, আর গোপনে স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে।’ তিনি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান আলোচনাকে মার্কিন সেনা মোতায়েনের একটি কৌশল বলে মন্তব্য করেন।

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও রণক্ষেত্রে সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ নেই। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে। এর জবাবে ইরান কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায়। অন্যদিকে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বেশ কিছু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান দীর্ঘমেয়াদি দখলদারিত্বে রূপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে তিনজন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী এবং শনিবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানে ১ হাজার ৯০০ জনের বেশি, লেবাননে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি এবং ইসরায়েলে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ জন সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আরও অনেক বেসামরিক ও সামরিক সদস্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি ইরান ও লেবাননের লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে তাদের হামলা শুধু মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন বিমানের ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘ইরান সৌদি আরবকে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ মনে করে। আমাদের অভিযান কেবল শত্রু আগ্রাসকদের বিরুদ্ধে। এখন সময় এসেছে মার্কিন বাহিনীকে এই অঞ্চল থেকে বহিষ্কার করার।’

 

 

 

সর্বশেষ - রাজনীতি