নিজস্ব প্রতিবেদক :
বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জনতা ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে প্রতিষ্ঠান খুলে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্তে নথিপত্র সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে সংস্থাটি।
একই দিনে পৃথক এক আদেশে ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে শুধু জনতা ব্যাংক থেকেই ঋণের নামে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি ভুয়া ও বেনামি প্রতিষ্ঠান খুলে ৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে সালমান এফ রহমান এবং জনতা ব্যাংকের তৎকালীন এমডিসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা দায়ের করে দুদক।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক তানজীর আহমেদ জানান, তদন্তের প্রয়োজনে বর্তমানে ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জব্দ করার পাশাপাশি বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। নিজাম হাজারীর বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন এবং ১৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মামলা করেছিল দুদক।
দুদকের অনুসন্ধান দল মনে করছে, এই আয়কর নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে তার অবৈধ সম্পদের সঠিক চিত্র এবং অর্থ পাচারের আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে।


















