শুক্রবার , ১ মে ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

নেত্রকোনায় দুই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন

প্রতিবেদক
Newsdesk
মে ১, ২০২৬ ৮:০২ অপরাহ্ণ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে পানি, কমছে কৃষকের আশা। শুক্রবার সকাল থেকে নেত্রকোনার উপদাখালী নদীর পানি কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ও কংশ নদীর পানি জারিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে ধনু নদীর পানি খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বাড়ার সাথে সাথে চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের স্বপ্ন। ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন হাওর-বিল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন বোরো ধানচাষিরা, যাদের জীবিকার একমাত্র ভরসাই এই ফসল।

হাওরের শান্ত পরিবেশ এখন কৃষকদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি তাদের।

নেত্রকোনার মদন উপজেলার উচিতপুর, গোবিন্দশ্রী মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা, তেতুলিয়া, বরান্তর খালিয়াজুরী উপজেলার বোয়ালী, কৃষ্ণপুর, জগন্নাতপুর ও আটপাড়া উপজেলার সুমাইখালী ও গণেশের হাওরসহ কলমাকান্দা ও দূর্গাপুরে বেশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি করেছে উঠতি বোরো ফসলের।

অথচ দুইদিন আগেও এসব হাওরে পাকা-আধাপাকা ধানের সোনালি আভা দেখা গেছে, আজ সেখানে শুধু বন্যার পানি ঢেউ খেলছে। কোথাও কোথাও ধানের কিছু শীষ এখনো পানির সঙ্গে লড়াই করে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে আধাপাকা ধান কেটে ফেলছেন, যেন অন্তত কিছুটা ফসল রক্ষা করা যায়। তবে বাকি ধান ঘরে তোলা এখন অনেকের কাছেই স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পানিতে নেমে পরিবার-পরিজনসহ দিন-রাত পরিশ্রম করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। এ দৃশ্য এখন জেলার বিভিন্ন হাওরে। সবাই নৌকা নিয়ে ব্যস্ত শেষ সম্বলটুকু রক্ষা করতে। তবে শুকনো জায়গায় তুললেও নতুন দুশ্চিন্তা আকাশে নেই রোদের দেখা।

জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক রাকিবুল হাসান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে জেলার ৬টি উপজেলার বিভিন্ন হাওরে আবাদ হয়েছে ৪১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কাটা হয়েছে ২৬ হাজার ৯৮৯ হেক্টর জমির ধান। এখনো পানির নিচে রয়েছে ১৪ হাজার ৭৬ হেক্টর জমির পাকা ধান।

 

 

সর্বশেষ - রাজনীতি