Saturday , 27 June 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

ফের আলোচনায় সেই মিন্নি

প্রতিবেদক
Newsdesk
June 27, 2026 3:07 pm

অপরাধচিত্র প্রতিনিধি (বরগুনা): বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সাত বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের একজন রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বর্তমানে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
কারা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে মিন্নি কারাগারে শান্ত ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ সময় তিনি একাকী থাকেন এবং নিয়মিত ধর্মীয় অনুশীলন ও নামাজে সময় কাটান। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনি অন্য বন্দিদের সঙ্গে খুব বেশি মেলামেশা করেন না এবং স্বজনরা সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের সঙ্গেই মূলত কথা বলেন। তার বিরুদ্ধে কারাগারে কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগও নেই।
গ্রেফতারের পর প্রথমে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হলেও পরে মামলার বিচারিক কার্যক্রম ও স্বজনদের সাক্ষাতের সুবিধা বিবেচনায় বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
পরদিন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় মিন্নির সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে গ্রেফতার করে। পরে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়, যেখানে মোট ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের মামলায় আদালত মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং চারজনকে খালাস দেন। একই বছরের ২৭ অক্টোবর শিশু আদালতে অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিরুদ্ধে পৃথক রায় ঘোষণা করা হয়।
মামলার শুরু থেকেই মিন্নির পরিবার অভিযোগ করে আসছে যে, তাকে অন্যায়ভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাদের দাবি, তদন্তে নানা অসঙ্গতি ছিল এবং প্রকৃত ঘটনার পরিবর্তে ভিন্ন ব্যাখ্যা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও সিসিটিভি ফুটেজ যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি।
মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, ঘটনার সময় মিন্নি তার স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে মিন্নিকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

সর্বশেষ - রাজনীতি