অপরাধচিত্র রিপোর্ট: বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় ভাড়া বাসা থেকে শান্তা আক্তার জুই নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর ওই বাসায় তাঁর সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
গত ১৭ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে জুইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ১৮ অক্টোবর সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ভাড়া বাসার মালিক মো. ফরিদ হোসেনের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত ৫ অক্টোবর জুই ও তাঁর সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে বাসাটি ভাড়া নেন।
প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, জুইয়ের স্বামী কুয়েতপ্রবাসী আনোয়ার হাওলাদার। তাঁদের ১১ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তবে নিহতের বয়স নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রকাশিত খবরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে জুইয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তাঁর পরিচয় এবং জুইয়ের মৃত্যুর সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানমের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে ওই বাসায় জুইয়ের সঙ্গে থাকা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে হত্যার জন্য দায়ী করা যাচ্ছে না। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা এবং ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

















