মঙ্গলবার , ৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৪শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

খালিদ মাহমুদের উত্তরার প্লটসহ ২৩ একর জমি জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

প্রতিবেদক
Newsdesk
জানুয়ারি ৬, ২০২৬ ৩:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর উত্তরা ও দিনাজপুরের জমি এবং ৬টি ব্যাংক হিসাব, এফডিআরসহ গাড়ি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রীর জব্দ হওয়া জমির মধ্যে উত্তরার পাঁচ কাঠার প্লটসহ দিনাজপুরের ২৩ দশমিক ২১ একর জমি আছে। এর মধ্যে দিনাজপুরের ১৮ দশমিক ০৬০৬ জমির মূল্য দেখানো হয়েছে দুই কোটি ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৮ টাকা। আর ৫ দশমিক ১৪৯৪ একর জমি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল হিসাবে পাওয়ায় সেটির মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। সাবেক প্রতিমন্ত্রীর উত্তরার পাঁচ কাঠার প্লটের দাম দেখানো হয়েছে ৫৬ লাখ টাকা।

এছাড়া খালিদ মাহমুদের বিভিন্ন ব্যাংকের ৬ হিসাবে থাকা তিন কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার ২৬৩ টাকা, তিন লাখ টাকার একটি এফডিআর, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকার একটি সেভিংস সার্টিফিকেট এবং ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি গাড়ি অবরুদ্ধ করারও আদেশ এসেছে।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম এ আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামি খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে এসেছে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তার নামে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর বা অন্য কোন পন্থায় মালিকানা পরিবর্তন বা হস্তান্তর করে দেশের বাইরে গিয়ে আত্মগোপন করতে পারেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর নামে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।

গত বছরের ৮ এপ্রিল দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার ৬৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তার নিজ নামে ১১টি ব্যাংক হিসাব ও ৫টি কার্ড হিসাবে মোট ১৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

এজন্য আসামির বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে গত বছরের ২৬ জুন খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন একই আদালত।

সর্বশেষ - জেলার খবর