Sunday , 12 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তা কারাগারে

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 12, 2026 11:12 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাড়ে ১৮ কোটি টাকা পাচার ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেলোয়ার জাহান রুমি বলেন, ‘১১ আসামি হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে গত ১৬ এপ্রিল বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। ওইদিন আদালত তাদের জামিন বর্ধিত করে ধার্য তারিখ পর্যন্ত বহাল রাখেন। এই অবস্থায় তারা স্থায়ী জামিন চেয়ে আবেদন করলে, আমরা বিরোধিতা করি। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক।

২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর পাঁচ দেশে রফতানির নামে সাড়ে ১৮ কোটি টাকা পাচার ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এতে বাদী হন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিদের পরস্পর যোগসাজশে আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রফতানি দেখিয়ে দো এম্পেক্স লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যাংক জমা হয়। শুধু তাই নয়, ৩৪টি রফতানি চালানের মূল্যবাবদ প্রণোদনা হিসাবে প্রায় ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ হয়েছে। অথচ, বাস্তবে কোনো রফতানিই হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দো এম্পেক্স লিমিটেডের মোট ৪১টি বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল করে সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে। যার মধ্যে ৭টি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কৃষি জাতীয় পণ্য রফতানির সত্যতা পাওয়া গেলেও, ৩৪টি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কোনো পণ্যই বিদেশে রফতানি হয়নি। অথচ, পণ্য রফতানির বিপরীতে অগ্রিম হিসাবে পুরো অর্থ ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৭ দশমিক ৪৪ মার্কিন ডলার অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে প্রত্যাবাসন হয়েছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৯১ হাজার ৪০৪ টাকা। রফতানি দেখিয়ে ৩ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেছে আসামিরা।

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত