শনিবার , ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৬শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

আগামী সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: সিপিডি

প্রতিবেদক
Newsdesk
জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৯:৩৩ অপরাহ্ণ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের প্রধান কাজ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। কেননা, এখনকার বিনিয়োগ স্থবিরতা নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেবে। ব্যাংকের উচ্চ সুদহার ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে না। এতে সাপ্লাই চেন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সে জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে থেকে যাচ্ছে।

আজ শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ও নির্বাচনী বাঁকে বহুমাত্রিক ঝুঁকি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান ও গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বিনিয়োগ না বাড়লে বৈষম্য ও অস্থিরতা বাড়বে। সমাজে যদি ন্যায়সংগত সুযোগ না থাকে, তাহলে একদিকে বৈষম্য তৈরি হয়, অন্যদিকে অস্থিরতা দেখা দেয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যে আন্দোলন হয়, তার পেছনেও এই বাস্তবতা কাজ করেছে। বাজারে চাকরি নেই, সরকারি চাকরিই একমাত্র ভরসা, সেখানেও কোটা-সংকট। এর সঙ্গে যুক্ত হয় উচ্চ মূল্যস্ফীতি। সব মিলিয়ে মানুষের জীবনে প্রবল অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছিল। এ বাস্তবতায় অর্থনীতিতে যে বিনিয়োগের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে আমরা যদি বেরোতে না পারি, তাহলে এই সমস্যাগুলো জিইয়ে থাকবে।’

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো উদ্যমী তরুণ জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশ জাতি হিসেবে এখনো তরুণ—মানুষের গড় বয়স মাত্র ২৬ থেকে ২৭ বছর। এই তরুণদের যদি আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি, তাহলে অর্থনীতিতে গতি ফিরবে। আমরা এমন এক যুগে বাস করছি, যেখানে প্রযুক্তি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি আছে তরুণদের।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। আমরা চাই, আগামী নির্বাচন নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হোক। অর্থের অপব্যবহার যেন না হয়, সে জন্য নীতিমালা আছে। প্রত্যেক প্রার্থীকে তা মানতে হবে। নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি যেন না হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচন যেন সহিংসতামুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিতে পারে। আমরা এমন নির্বাচন দেখতে চাই।’

দেশে অর্থনীতির গতি মন্থর উল্লেখ করে ফাহমিদা খাতুন বলেন, এডিপি বাস্তবায়ন গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এডিপি বাস্তবায়নের ধীর গতি চিন্তার বিষয়। আর বেসরকারি বা ব্যক্তিগত বিনিয়োগ ঐতিহাসিকভাবে নিচে নেমে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন। বিদেশি বিনিয়োগও সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।

রাজস্ব বাড়াতে নতুন পথ খুঁজতে হবে। করদাতাদের উৎসাহিত করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় কর ছাড় বাদ দিতে হবে। অবৈধ অর্থ পাচার রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এলডিসির জন্য কর ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া যাবে না। প্রকল্প ব্যয়ের খরচ নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে।

মূল্যস্ফীতির প্রসঙ্গ টেনে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, দেশে খাদ্যপণ্যের দাম কেন কমছে না? বিশ্বের সঙ্গে ফারাক রয়েছে। চালের সঙ্গে মূল্যস্ফীতির সম্পর্ক রয়েছে। তথ্য বলছে, চালের চাহিদার চেয়ে দেশে উৎপাদন বেশি রয়েছে। বিশ্বে চালের দাম কমলেও বাংলাদেশে কমেনি। দেশে বিক্রেতারা সবচেয়ে বেশি লাভ করছেন আলু, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, বেগুন, মাছ, মাংস—এসবে। এখানে মধ্যস্বত্বভোগী থাকে। কিন্তু চালের ক্ষেত্রে তেমন লাভ হয় না। সুদের হার বাড়িয়ে কেবল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। বিশ্ববাজারে চাল ও আটার দাম কমলেও বাংলাদেশে কমেনি। মজুত ব্যবস্থার কারণে এমনটি হচ্ছে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, অর্থনীতিতে একটা স্থিতিশীলতা থাকা সত্ত্বেও রাজস্ব ঘাটতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, বিদেশি বিনিয়োগ, জ্বালানিসংকট এবং বৈদেশিক খাতের অনিশ্চয়তা—এসব মিলিয়ে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ও সাহসী সংস্কার কর্মসূচি অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সরকারি অর্থব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরানো এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। রাজস্ব আদায় বাড়ানো, উন্নয়ন ব্যয়ের স্বচ্ছতা জোরদার ও ঘাটতি অর্থায়নে সংযত নীতি অনুসরণ করা হবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটা ভিত্তি। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সুশাসন নিশ্চিত করাই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর শর্ত হবে।

 

 

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

শহিদ আবরার জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতীক: ঢাবি ছাত্রশিবির সভাপতি

বাংলাদেশ-ভারত ৭ সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশ-ভারত ৭ সমঝোতা স্মারক সই

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে শিক্ষকদের অবস্থান

ধানমন্ডির ল্যাবএইডের সামনে শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে অগ্নিকাণ্ড

ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষের নিহত ৩

গুলশান লেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

আবরার হত্যা মামলায় দ্রুত আপিল শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

জা‌লিয়া‌তি ও টাকা পাচারের অভিযোগে নাফিজ সরাফাত‌কে দুদকে তলব

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীর ২২টি পয়েন্টে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল বাতি

ভারতের অহংকার ৩ রাফালসহ ৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে পাকিস্তান