নিজস্ব প্রতিবেদক :
কোম্পানির নয় ব্যক্তিগত কর বেশি হওয়া উচিত উল্লেখ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, আসছে বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করের সর্বোচ্চ সীমায় ৫ শতাংশ বাড়ছে। বাড়তে পারে করমুক্ত আয়ের সীমাও।
মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবনের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সঙ্গে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ডিসিসিআইর বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে বলেন, ‘করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ করা উচিত। ব্যক্তির সর্বোচ্চ কর কমানো উচিত। বাড়ানো উচিত কর জাল। বাণিজ্যিক আমদানিতে আগাম কর কমানো উচিত। ভ্যাটের হার একই ও সিঙ্গেল ডিজিট হওয়া উচিত।’
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোম্পানির নয় ব্যক্তিগত কর বেশি হওয়া উচিত। আসছে বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করের সর্বোচ্চ সীমায় ৫ শতাংশ বাড়ছে। যা বেড়ে দাঁড়াবে ৩০ শতাংশে। এটাকে আরও বাড়ানো দরকার।’
ব্যক্তি শ্রেণির কর কমানো ঠিক হবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ব্যক্তি শ্রেণির কর উন্নত দেশে ৫০-৫৫ শতাংশ। এটাকে কমানো ঠিক হবে না। বাড়াতে হবে। নইলে বৈষম্য কমবে না। উন্নত দেশে ব্যক্তির কর বেশি হওয়ায় বৈষম্য কম। এটা ঠিক তারা বেশি কর দিয়ে বেশি সেবা পান। আমাদেরও সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে মানুষ হাতে কম টাকা রাখবে।’
ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রতিরোধে ভ্যাটের একক হার হয়নি উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ‘তারাই এখন ভুগছে। সবাই একমত হলে হার কিছুটা কমিয়ে হলেও একক হারে যাওয়া উচিত। এফবিসিসিআইয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়া যেতে পারে। দরকার হলে ব্যবসায়ীদের জন্য সফটওয়্যারও করে দিব। যত ঝগড়া ভ্যাটের অনেক হারের কারণে।’