মঙ্গলবার , ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্রগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বিনোদন
  15. ব্যাবসা-বাণিজ্য

বিএনপি রাজপথ ছাড়বে না: মঈন খান

প্রতিবেদক
Newsdesk
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪ ৭:৪৪ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজপথে থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণরক্ষার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

মঙ্গলবার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র মৃত, স্বাধীনতার চেতনা ভূলুণ্ঠিত। একুশের চেতনায় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার শপথ নিতে হবে। বিএনপি রাজপথে ছিল, রাজপথে আছে, রাজপথেই থাকবে।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, কঠিন সময় পার করছে দেশ। বিএনপি সরকার কাউকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আদালতে পাঠায়নি। ঘরে ঘরে যেয়ে বলবো বিএনপি মানে শান্তি, বিএনপি মানে সমৃদ্ধি।

এসময় এক দফার আন্দোলন জোরদার করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বিএনপির সিনিয়র নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন অসহায়, এ অবস্থায় ছাত্র-যুবক ঐক্যবদ্ধ। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করেন, দেশে পঁচাত্তরের মতো অত্যাচার, নির্যাতন, হত্যা চলছে। সবক্ষেত্রে দুর্নীতি চলছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ অন্তঃসারশূন্য। সরকার পাকিস্তানের প্রেতাত্মা বহনকারী সরকার। যে কারণে পাকিস্তান ছাড়লাম সে কারণ বাংলাদেশে ঘটলে নিশ্চুপ থাকতে পারিনা। নিশ্চুপ থাকা নয়, প্রতিবাদ হবে।

আন্দোলনের মাধ্যমেই ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার কথা জানান বিএনপির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। সেলিমার মতে, জোর করে নির্বাচন করেছে সরকার। বিএনপি আন্দোলনে জয়ী হয়েছে, সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। বিএনপির ডাকে জনগণ ভোট বর্জন করেছে বিএনপির আন্দোলন থেকে সরে আসেনি, আন্দোলন চলমান। ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে দাবি আদায় হবে।

বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, অতি সত্তর বাংলাদেশে সকলের অংশগ্রহণে নতুন নির্বাচন হবে, জনগণের সরকার গঠন হবে। সেটা আশা করছি।

তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের ধারাবাহিকতায় দেশে এখন মুক্তি সংগ্রাম চলছে। ক্ষমতাসীনদের সরাতে হলে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সেদিন বেশি দূরে নয়, সংগ্রামের তোড়ে এই সরকার বিতাড়িত হতে বাধ্য হবে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় নেতাকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক।

তিনি অভিযোগ করেন, অনুমতি নেয়া থাকলেও ৪৫ মিনিট ধরে সেলিমা রহমানসহ সিনিয়র নেতাদের অনুষ্ঠানের হলরুমে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

এ অবস্থায় আবারও শীর্ষ থেকে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ওপর ক্ষমতাসীনদের নির্যাতন ও নিপীড়নের চিত্র ফুটে ওঠে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত