বৃহস্পতিবার , ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

শেয়ারবাজার লুটপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Newsdesk
এপ্রিল ৩০, ২০২৬ ৪:২১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকারের কোনো সময়ে শেয়ারবাজার লুটপাটের কোনো সুযোগ ছিল না, এবারও থাকবে না। নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অধিকতর সংশোধনের জন্য (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬) বিশেষ কমিটির সুপারিশ বিবেচনার প্রস্তাব দেন। তবে এই বিলের ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

শেয়ারবাজার লুটপাটে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও শক্তিশালী করতে যে কটি স্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তার অন্যতম একটি হচ্ছে পুঁজিবাজার।

তিনি বলেন, আজকের বিশ্বে যেসব দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ ও প্রতিযোগিতামূলক, তাদের শক্তির অন্যতম উৎস শেয়ারবাজার। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ১৯৯৬ সালে একবার ও ২০১০ সালে একবার ভয়াবহ রকম পতনের শিকার হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রকাশিত শ্বেতপত্রের উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে লুট হয়েছে ১ লাখ কোটি টাকার উপরে। এই ১ লাখ কোটি টাকা, সাধারণ মানুষের টাকা। যে মানুষগুলো তাদের সমস্ত সঞ্চয়গুলো হয়তো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেন—সেই মানুষগুলোর টাকা।

এগুলো লুটপাট করা হয়েছে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মাধ্যমে। বিশেষ কিছু ব্যবসায়ীর মাধ্যমে। যাদের কখনোই বিচারের আওতায় আনা হয় নাই, যোগ করেন তিনি।

দেশের অর্থনীতি নানা সমস্যার মুখে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সার্বিক পরিস্থিতিতে আমি আমি আশা করব, অর্থমন্ত্রী শেয়ারবাজার লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের যেমন জবাবদিহিতার আওতায় আনবেন, একইসঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে দক্ষ ও যোগ্য মানুষের সম্মিলন ঘটিয়ে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে আবারও একটি আস্থার জায়গায় নিয়ে যাবেন।

জবাবে রুমিন ফারহানার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যেহেতু বিশেষ কমিটি এই বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে, তারপর বিলটি এখানে এসেছে। সুতরাং আর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দেওয়ার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।

এ সময় বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

 

 

সর্বশেষ - রাজনীতি