অপরাধচিত্র ডেস্ক :
সম্প্রতি প্রকাশিত অনিবন্ধিত দৈনিক জন জাগরণ, আজকের দেশ ডটকম, দৈনিক সমতল মাতৃভূমি সহ অনেকগুলো অনলাইন নিউজপোর্টালে “কর অঞ্চল-৩ এ ‘ভূয়া ঠিকানায় চাকরি’ ও নৈশ প্রহরী থেকে কোটি টাকার সম্পদের মালিক জুলহাস উদ্দিন” ও দৈনিক রূপবানী পত্রিকায় ” রাজস্ব’র এক চুনোপঠির লঙ্কাকান্ড” শীর্ষক প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমার ব্যক্তি ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
প্রথমত, সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে আমি প্রচলিত সকল নিয়ম ও আইন মেনেই নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছি। আমার চাকরির কাগজপত্র, পুলিশ ভেরিফিকেশন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য নথি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করেই অনুমোদিত হয়েছে। “ভুয়া ঠিকানা” বা “জাল কাগজপত্র” ব্যবহারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মানহানিকর।
দ্বিতীয়ত, প্রতিবেদনে আমার সম্পদ নিয়ে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার অধিকাংশই অনুমাননির্ভর, অতিরঞ্জিত এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমার ও পরিবারের সদস্যদের বৈধ আয়, সঞ্চয়, পারিবারিক সম্পদ এবং বৈধ উৎস থেকে অর্জিত সম্পত্তিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে “অবৈধ সম্পদ” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ এ বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্ত বা আদালতের সিদ্ধান্ত নেই।
তৃতীয়ত, আমার সন্তানদের পড়াশোনা, আত্মীয়স্বজনের বিদেশে অবস্থান কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত দুঃখজনক। সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা ও ক্রীড়া অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা কোনো অপরাধ নয়।
প্রতিবেদনে আমার বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি এবং সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা অনুসরণ না করেই একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং পরিবার মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রকৃত তথ্য যাচাই করে এই বিভ্রান্তিকর সংবাদটির সংশোধন ও যথাযথ প্রতিবাদ প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অন্যথায়, আমার সম্মান রক্ষার্থে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করছি।
বিনীত,
মোঃ জুলহাস উদ্দিন আহমেদ
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
কর অঞ্চল-৩, ঢাকা


















