নিজস্ব প্রতিবেদক “
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মিরদী ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক আমিরুন্নেসার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদ জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার শিক্ষক ইনডেক্স কেটেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে এ পর্যন্ত পাওয়া তার সব বেতন ও ভাতা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই এবং অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের স্বাক্ষর করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শিক্ষিকা আমিরুন্নেসার এনটিআরসিএ সনদটি জাল ও ভুয়া এমনটি জানিয়ে কাজী শরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগটি তদন্ত ও নিষ্পত্তির জন্য রংপুর বিভাগের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরবর্তী সময়ে গত ২৩ এপ্রিলের তদন্ত প্রতিবেদন এবং এনটিআরসিএ-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আমিরুন্নেসা ২০০৯ সালের ৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যে প্রত্যয়নপত্রটি জমা দিয়েছিলেন, সেটি সঠিক নয়। তদন্তে তার দাখিল করা প্রত্যয়নপত্রটিও সম্পূর্ণ জাল এবং ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।
সনদ জালিয়াতির বিষয়টি চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আমিরুন্নেসার ইনডেক্স কাটাসহ তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ও অর্থ উদ্ধারের আদেশ দেওয়া হয়।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদেশের অনুলিপি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ), কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি), মিরদী ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষ এবং অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত দপ্তরেও পাঠানো হয়।

















