Sunday , 12 July 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

মাদক গায়েবের অভিযোগে ডিএনসি পরিদর্শক জিল্লুর তদন্তের মুখে

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 12, 2026 10:50 pm

# অভিযোগকারীকে অফিসে ডেগে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ
# সোর্স আবুল খায়ের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা # তদন্ত কমিটিতে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ
# তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন # তদন্ত ঠেকাতে মাঠে নেমেছে জিল্লুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ঢাকা মেট্রো উত্তরা সার্কেল পরিদর্শক জিল্লুরকে ঘিরে উদ্ধারকৃত মাদক ও নগদ অর্থের হিসাব গোপনের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগকারী তথ্যদাতা (সোর্স) আবুল খায়ের দাবি করেছেন, তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে এবং এ কারণে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

গত ৬ জুলাই মাদক উদ্ধার অভিযানে জব্দ করা ইয়াবা, হেরোইন ও নগদ অর্থের প্রকৃত পরিমাণ মামলায় উল্লেখ না করার অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক জিল্লুরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। একই সঙ্গে অভিযোগ ওঠা ঢাকা মেট্রোর উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানকে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএনসির পৃথক দুটি অফিস আদেশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে পরিচালক (নিরোধ শিক্ষা, গবেষণা ও প্রকাশনা) রাজীব আহসানকে। অপর সদস্য হলেন, অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম, উপপরিচালক (অপারেশনস) মুকুল জ্যোতি চাকমা এবং সহকারী পরিচালক (অপারেশনস) ফয়সাল মাহমুদ। কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, জনৈক আবুল খায়ের অভিযোগ করেন, নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় তিনটি অভিযানের তথ্য তিনি উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এবং বিমানবন্দর সার্কেলের সহকারী উপপরিদর্শক মোহাম্মদ রোকুনুজ্জামানকে দিয়েছিলেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে প্রথম অভিযানে এক হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা, দ্বিতীয় অভিযানে ৪০০ গ্রাম হেরোইন এবং তৃতীয় অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ও দুই লাখ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়; কিন্তু সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো দায়েরের সময় উদ্ধার করা আলামত ও নগদ অর্থের প্রকৃত পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। এ ছাড়া তথ্যদাতা হিসেবে চুক্তি অনুযায়ী তিনি সোর্সমানিও পাননি।

আবুল খায়ের বলেন, ‘পশ্চিম সানারপাড়ে এক অভিযানে ৫৪ হাজাার ৫০০ টাকা উদ্ধার দেখিয়ে বাকি দুই লাখের বেশি টাকা মেরে দিছে জিল্লুর রহমান। এ ছাড়া ইয়াবা, হেরোইন গায়েবসহ টাকার বিনিময়ে নিরীহ মানুষকে আসামি করা এবং অপরাধীকে ছাড় দেওয়াসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আশা করি তদন্তে সব তথ্য উঠে আসবে।’ তবে সোর্স হিসেবে কাজ করে বর্তমানে জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে জানান খায়ের।

অভিযোগকারী সোর্স আবুল খায়ের দাবি করেন, মামলার নথিতে জব্দকৃত নগদ অর্থের পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে অভিযান থেকে প্রায় ২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। একইভাবে, মামলায় ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ দেখানো হলেও প্রকৃত উদ্ধার হওয়া ইয়াবার পরিমাণ ছিল অন্তত ৪০ হাজার পিস। এছাড়া ৪০০ গ্রাম হেরোইন জব্দ দেখানো হলেও প্রকৃত পরিমাণ ছিল প্রায় দেড় কেজি। তাঁর অভিযোগ, উদ্ধার করা আলামতের একটি অংশ গোপন বা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযানে সহযোগিতার জন্য চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্য সোর্সমানিও তাঁকে পরিশোধ করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি প্রথমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো কার্যালয় (উত্তর)-এর উপপরিচালক (ডিডি) শামীমের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে তাঁকে অফিসে ডেগে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে আবুল খায়ের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মহাপরিচালক পরিদর্শক জিল্লুরকে ডেকে ভর্ৎসনা করেন এবং তাঁর প্রাপ্য সোর্সমানি পরিশোধের নির্দেশ দেন মহাপরিচালক। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তবে ওই তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আবুল খায়ের। তাঁর দাবি, তদন্ত কমিটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার জন্য গঠন করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। এছাড়া তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক জিল্লুর অর্থের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এছাড়াও তদন্ত কমিটির সদস্যসচিব জিল্লুর রহমানের নিকট আত্মীয়।ওই তদন্তে স্বজনপ্রীতির করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জানান, সোর্স আবুল খায়ের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা । অভিযোগের তদন্ত চলছে । তদন্ত কমিটি ভালো বলতে পারবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএনসির মহাপরিচালক হাসান মারুফকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

 

 

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

পুলিশ হত্যাসহ সব অপরাধের আইন অনুযায়ী বিচার হবে: আইজিপি

ডিসেম্বর ধরে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

পরীমনির বিরুদ্ধে মাদক মামলা চলবে

বিএসএমএমইউতে ১৫ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারে আলাদা হল শিশু নুহা ও নাভা

নারী চিকিৎসককে অনৈতিক প্রস্তাব:বরগুনা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

বাংলাদেশে ট্রাম্পের সমর্থকদের গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেনি : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস

পাঁচ জেলায় সড়কে ঝরল ১৪ প্রাণ

রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জন করতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শাপলা চত্বর কাণ্ডে কারাগারে সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল

বাজার কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: অর্থ উপদেষ্টা