অপরাধচিত্র প্রতিবেদক (চট্টগ্রাম) : গত ১৪ জুলাই মঙ্গলবার রাত থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা শুরু করা হলেও পুলিশ এখনো নাগাল পায়নি ডেভিট ইমন বা তার সহযোগী কারও। এ নিয়ে হাসি তামাশা করছেন নগর ও ফটিকছড়ির মানুষ। স্থানীয়দের মতে, ডেভিড ইমন থাকে চট্টগ্রাম শহরে। আর পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে ফটিকছড়িতে। যেন বগলের তলে রেখে ডেভিড ইমনকে খুঁজছে পুলিশ।
তার সত্যতা মেলে ইমনের একটি অডিও কল রেকর্ডেও। ডেভিড ইমন পরিচয় দিয়ে ফোন করা এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে বলতে শোনা যায়, আমাকে না চিনলে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলুন, বড় সাজ্জাদ বাহিনীর ডেভিড ইমন ফোন করে বলেন, ‘আমার ফোন নম্বর দেখান, তিনিই বলে দেবেন আমি কে?’ এই রেকর্ডে জন্ম দেয় নানা প্রশ্নের।
গত ১৩ জুলাই সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোডে ডিডিএন নামের একটি ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে ৩০-৩৫ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। ওই ঘটনার পর ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে ডেভিড ইমনের একটি ফোনালাপের রেকর্ড ফাঁস হয়।
অভিযানের সফলতা নিয়েও প্রশ্ন :চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকায় অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। অভিযানের শুরুতে ইমনের পরিবারের কয়েকজনের মোবাইল ফোন হেফাজতে নেয় পুলিশ। তারপর তথ্য সংগ্রহ করে অভিযান শুরু করে। তবে ইমনের নাগাল এখনও পায়নি পুলিশ।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ডেভিড ইমন ইন্টারপোলের তালিকাভুক্ত বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর (বড় সাজ্জাদ) অন্যতম প্রধান বিশ্বস্ত সহযোগী। দীর্ঘদিন ধরে সে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্প গ্রুপ থেকে বড় অঙ্কের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের বাকলিয়ার জোড়া খুন ও পতেঙ্গায় ঢাকাইয়া আকবর হত্যাকাণ্ডসহ ৭টি হত্যা মামলা রয়েছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার এলাকার ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) নামক একটি ইন্টারনেট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ডেভিড ইমন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সোমবার (১৩ জুলাই) ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল প্রকাশ্য দিবালোকে ওই অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের নগদ ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনার ফোনের একটি অডিও কল রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের নিজ এলাকা ফটিকছড়ির কাঞ্চন নগরে তার খোঁজে মাঠে নামে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম।
কে এই ডেভিড ইমন : পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডে ডেভিড ইমনের নাম আলোচিত হয় ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে। শুরুতে বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের কয়েক সহযোগীর একজন হিসেবে নাম উঠে এলেও ধীরে ধীরে একক অস্তিত্বও জানান দেন তিনি। যদিও বড় সাজ্জাদের সহযোগী হিসেবেই এখনো পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন ডেভিড ইমন।
তার বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগরে। তার বাবার নাম মো. মুসা। সাধারণ কৃষকের ঘরে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। লেখাপড়াও তেমন করেননি। অল্প বয়সে কিশোর গ্যাং-এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। সাজ্জাদের গ্রুপে যোগ দিয়ে একাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সহজেই তার (সাজ্জাদ) নজরে আসেন। বর্তমানে ইমন চট্টগ্রামে সাজ্জাদ আলী খানের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে কাজ করছেন। সাজ্জাদ আলীর গ্রুপে অর্ধশতাধিক তরুণ সন্ত্রাসী রয়েছে।
অপরাধের নেটওয়ার্ক চট্টগ্রামজুড়ে: স্থানীয়দের মতে, চট্টগ্রামজুড়েই এই অপরাধী চক্রের নেটওয়ার্ক। তবে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী, পাঁচলাইশ, পতেঙ্গা, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, আনোয়ারা ও হাটহাজারী উপজেলায় এই চক্রের প্রভাব বেশি। মূলত এসব এলাকায় বিচরণ ডেভিড ইমনের। যেখানে তারা প্রতিনিয়ত নানা অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন।
ডেভিড ইমনের আগে ছোট সাজ্জাদ ওরফে সাজ্জাদ হোসেন এই গ্রুপের নেতৃত্ব দিতেন। ছোট সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকায় ডেভিড ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান আলম নগরী ও জেলাকে ভাগ করে পৃথকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা কতিপয় পুলিশ সদস্যের সাথে সমন্বয় করে অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। সে হিসেবে বলা যায় পুলিশের বগলের তলেই ডেভিড ইমন।
পুলিশের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর খুনে সরাসরি জড়িত ছিলেন ডেভিড ইমন। এর আগে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট আনিস ও মোহাম্মদ হাসান নামে দু‘জনকে ব্রাশফায়ারে হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই হত্যাকাণ্ডে ডেভিড ইমন জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ সোমবার বাকলিয়া এক্সেস রোডে ডিডিএন নামে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলায় অন্তত ৩০ জন সন্ত্রাসী অংশ নেন। তাদের সবার বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর। সবাই সাজ্জাদ আলী খান গ্রুপের সদস্য। মুখোশ পরে থাকায় অনেকের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। পুলিশও তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।
ঘটনার পর ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে ডেভিড ইমনের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। এতে ডেভিড ইমন পরিচয় দিয়ে ফোন করা ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে না চিনলে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেন, বড় সাজ্জাদ বাহিনীর ডেভিড ইমন ফোন করেছে বলেন, আমার ফোন নম্বর দেখান, তিনিই বলে দেবেন আমি কে? আরেকটু সময় থাকলে বাঁশখালীর সাবেক এমপি স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের বাড়ির সামনে কী হয়েছে জানা নেই আপনার? আপনি কি মুজিবুর রহমানের থেকে বড় হয়ে গেছেন? ব্যবসা করতে চাইলে একবারে দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে দেবেন। না হলে দুদিনের মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে নেবেন, আমার পোলাপান ব্যবসা করবে।’
সূত্রমতে, গত ২ জানুয়ারি সকালে নগরীর চন্দনপুরা এলাকায় স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বদেশের প্রকাশক, সাবেক এমপি মুজিবুর রহমানের বাসা লক্ষ্য করে গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। এরপর ওই বাসার নিরাপত্তায় পুলিশের পাঁচ সদস্যকে নিয়োগ করা হয়। দুই মাসের মাথায় পুলিশ পাহারা থাকাবস্থায় ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৫টার দিকে ফের ওই বাসা লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে বড় সাজ্জাদের বাহিনী ওই হামলা চালায় বলে দাবি করে পুলিশ। পরে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে মুজিবুর রহমান রেহাই পান বলে এলাকায় প্রচার হয়। তবে এ ব্যাপারে পুলিশ কিংবা মুজিবুর রহমান কেউ পরে আর কথা বলেনি।
ডেভিড ইমনের বিচরণ: বিলাসবহুল ভবনের ছাদে হাঁটতে হাঁটতে ফোনে কথা বলছেন, ব্যাকগ্রাউন্ডে হিন্দি গানের মিউজিক বাজছে। কখনো পাঁচ তারকা হোটেলের লবিতে বৈঠক করছেন অন্যদের সঙ্গে কিংবা বিলাসী বারে বসে বিয়ার খাচ্ছেন। এমন হাজারো ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা আছে ডেভিড ইমনের নিজের ফেসবুক ওয়ালে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ফলোয়ারও কয়েক লাখ। নির্দিষ্ট পরিমাণ ফলোয়ার সংখ্যা পার হলে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফটোকার্ডও শেয়ার করেন ডেভিড ইমন।
ফেসবুক ঘাঁটলে প্রথম দেখায় মনে হবে হিন্দি ছবির সেলিব্রেটি কোনো নায়ক। বাংলাদেশের গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেই শেয়ার করেন। অতিরঞ্জিত কিছু লেখা হলে প্রতিক্রিয়া জানান। সুদর্শন এই যুবকই এখন চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডের নতুন আতঙ্ক। নগর পুলিশের ঘুমও কেড়ে নিয়েছেন তিনি। সবশেষ আলোচনায় এসেছেন গত সোমবার দুপুরে বাকুলিয়া এক্সেস রোডে একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে।
হোয়াটসঅ্যাপ কল আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা: চন্দনপুরা এলাকায় গত সোমবার দুপুরে ডিজিটাল ডট নেটে (ডিডিএন) হামলা এবং ৩৫ লাখ টাকার লুটের ঘটনার পর একই দিন সন্ধ্যায় জিইসির মোড়ে অবস্থিত আরেকটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে চাঁদা দাবি করেন ডেভিড ইমন। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে ডেভেলপার কোম্পানি, ইন্টারনেট, ডিশ ব্যবসা, গার্মেন্ট কিংবা খাতুনগঞ্জের আড়তদার সবার কাছে যেন এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ডেবিড ইমন।
বিদেশি নম্বর থেকে ফোনে দাবি করা হয় চাঁদা, না দিলে বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা, এমনকি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটাতেও পিছপা হচ্ছে না ইমন ওরফে ডেভিড ইমনের সহযোগী সন্ত্রাসীরা। নগরজুড়ে সন্ত্রাসের এই আধিপত্য গড়ে তুলতে কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি তাকে।
নেট প্লাস ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার নেওয়াজ মোরশেদ বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় ডেভিড ইমন পরিচয় দিয়ে আমাকে ফোনে কল দিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। আমাকে ফোনে কল করে বলে, দেখছেন তো ডিডিএনকে কী অবস্থা করেছি। টাকা না দিলে আপনারও এমন পরিস্থিতি হবে। সন্ত্রাসীদের এমন আচরণে এখন আতঙ্কে রয়েছি।
তার দাবি, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে গত এক মাসে দেড় কোটি চাঁদা আদায় করেছে ডেভিড ইমন বাহিনী। বিশেষ করে অক্সিজেন, মুরাদপুর, জিইসির মোড়, বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা ও পাঁচলাইশ এলাকা থেকে প্রতিটি কো¤পানির মালিককে ফোনে কল করে হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায় করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে কোনো ধরনের প্রতিবাদ ছাড়াই সন্ত্রাসীদের হাতে চাঁদা দিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তার হোয়াটসঅ্যাপ কলের আতঙ্কে থাকেন ব্যবসায়ীরা।
সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা: ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (আইএসপি) প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলায় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের নেতারা। আইএসপিএবি চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক রাজিব শাহরিয়ার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ডিডিএন কার্যালয়ে চাঁদার দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়; বরং সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আইএসপি মালিক ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি, টেলিফোনে হুমকি, চাপ সৃষ্টি এবং দাবি পূরণ না হলে হামলা বা হয়রানির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ পরিস্থিতি আইএসপি শিল্পের জন্য গভীর নিরাপত্তা সংকটের ইঙ্গিত বহন করছে। ডেভিড ইমনসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।
সিএমপি কমিশনারের বক্তব্য: সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, নগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোড়ে ইন্টারনেট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ডেভিড ইমনসহ জড়িত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে একাধিক টিম কাজ করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে।
তিনি বলেন, আক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক আগে থেকে চাঁদা দাবির বিষয়টি প্রশাসনকে জানাননি। এ কারণে আগে থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সিএমপি কমিশনার আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেভিড ইমন দাবি করেন, তিনি দুবাই আছেন। কিন্তু পুলিশের কাছে এমন কোনো রেকর্ড নেই। এমনও হতে পারে, তিনি দেশে থেকেই বিদেশে অবস্থানের কথা প্রচার করছেন সবাইকে বিভ্রান্ত করতে। এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কাজ করছে।


















