Thursday , 30 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুমিল্লা
  9. ক্রীড়াঙ্গন
  10. খুলনা
  11. খেলাধুলা
  12. গাইবান্ধা
  13. গাজীপুর
  14. চট্রগ্রাম
  15. চাকরি

বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবস আজ :মানব পাচারে প্রতারণার ডিজিটাল ফাঁদ ও সুরক্ষার উপায়

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 30, 2026 1:49 pm

রতন মালো : বিষয়টি আমাদের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় স্বাভাবিক হলেও মনোজগতে এর একটি প্রভাব আছে। স্বাভাবিক জীবনযাপনের মধ্যেও মনোজগতের সেই অজানা অবস্থায় সমাজে নানা ধরণের অপরাধের সৃষ্টি হয়।

নারী, পুরুষ, যুব ও যুবনারী সকলেই আয়-ব্যয়ের বৈষম্যের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে। বড়দের বোঝা বয়ে বেড়ানোর চাপ শিশুদের শরীর ও মনের ওপরও এসে পড়ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে মানুষ যতই রঙিন আবরণে ঢাকা থাকুক, তার নানান নেতিবাচক বাস্তবতা আছে। আয়-ব্যয়ের বৈষম্য, একাকিত্ব, মানসিক দুর্বলতা, বেকারত্ব, লোভ ও দ্রুত লাভের মানসিকতা, ডিজিটাল সচেতনতার অভাব, অপরাধীচক্রের সংগঠিত কার্যক্রম, বিচারহীনতা ও দুর্বল আইন প্রয়োগ, সামাজিক আস্থার অপব্যবহার, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার, সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার, দুর্বল সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি, কম ঝুঁকিতে বেশি লাভের সুযোগ, অসত্য তথ্য ও বিভ্রান্তি, অপরাধীর মনস্তাত্ত্বিক কুটকৌশলসহ নানান বিষয়কে কেন্দ্র করেই শুরু হয় ডিজিটাল জগতে ফাঁদ। অন্যদিকে অপরাধীর ভয়হীনতাও তার অপরাধ প্রবণতাকে উস্কে দেয়।

এই নতুন সময়ে অপরাধী ও ভুক্তভোগীর অভিন্ন বিচরণক্ষেত্র বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এখানেই মূলত ডিজিটাল প্রতারণার সূচনা। এর রেশ যেয়ে পৌঁছায় এনালগ জগতের নির্যাতন, শোষণসহ নানান ঘটনায়। আমরা যেসব অপরাধের সংবাদ পাই, সেগুলোর পেছনে অনেক কিছুই ঘটে যায়। পেছনের সেই ঘটনাসমূহে জড়িত থাকে দেশী-বিদেশী প্রতারকচক্র। তারা মানুষের সমস্যা সমাধানের সহজ পথ দেখিয়ে প্রলুব্ধ করেই প্রতারণার ফাঁদ পাতে। সেই ফাঁদে পড়েই ভুক্তভোগী হয় বিভিন্ন বয়সের, আর্থ-সামাজিক অবস্থাসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

ডিজিটাল প্রতারণার সূত্রপাত : মানুষের নানান পরিচয়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, পেশা, বসবাসের স্থান, বৈবাহিক অবস্থা, শিক্ষা, কর্মস্থল, দক্ষতা, অথবা কোথায় যাতায়াত করে, তার ইচ্ছা কি, স্বপ্ন কি? সময়, কাল, আর্থিক অবস্থা, দক্ষতা, শিক্ষা ও পেশা ভেদে সকলের চাহিদা, স্বপ্ন, ইচ্ছাগুলোও ভিন্ন। এগুলো নিঃসন্দেহে সকলের একান্ত ব্যক্তিগত। যতক্ষণ পর্যন্ত তা কারো কাছে কেউ প্রকাশ না করে।

বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন, ভালো বেতনের চাকুরি, পছন্দের অফিস/কোম্পানি, পছন্দের মানুষের সাথে দেখা করা, সহজে অনলাইন থেকে আয় করা, লটারির প্রতি আগ্রহ, বিনাশ্রমে বিশাল অংকের অর্থপ্রাপ্তির স্বপ্ন ইত্যাদি নানান ব্যক্তিগত চাহিদাগুলো জানার পরেই সক্রিয় হয় প্রতারকচক্র। তার অর্থ দাড়ায়- যা কিছু একান্ত ব্যক্তিগত, সেই তথ্য সকলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে। আর সেসব ব্যক্তিগত চাহিদা সহজে পূরণের স্বপ্ন দেখিয়ে চলে প্রতারণার ফাঁদ পাতার মহোৎসব। অনলাইনে, অফলাইনে, হাঁটে-মাঠে, পথে, বাসে, লঞ্চে, ট্রেনে চলে চাহিদা পূরণের নামে ডিজিটাল ও এনালগ প্রতারণা। একবার পা দিলেই নিঃস্ব হয়ে যাওয়া।

মানবপাচার কি? : প্রথম কথাই হলো মানবপাচার একটি অপরাধ ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন। প্রতি বছর হাজার হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু নিজ দেশে কিংবা বিদেশে মানবপাচারকারীদের শিকার হয়। যে দেশ বা অঞ্চল থেকে মানুষ পাচার হয়, যে দেশ/অঞ্চলের ভিতর তাদের নিয়ে যাওয়া হয়, এবং যে দেশে/স্থানে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়— এই পুরো প্রক্রিয়ায় বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ বা অঞ্চলই কোন না কোন ভাবে আক্রান্ত।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিসি) অভিভাবক সংস্থা হিসেবে বলছে মানবপাচার তখনই হয় যখন “শোষণের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ, পরিবহন, স্থানান্তর, আশ্রয় প্রদান বা গ্রহণ করা; যা বলপ্রয়োগ বা বলপ্রয়োগের হুমকি, জবরদস্তি, অপহরণ, প্রতারণা, ছলনা, ক্ষমতার অপব্যবহার, অসহায় বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সুযোগ গ্রহণ, অথবা অন্য ব্যক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা কারও সম্মতি অর্জনের জন্য অর্থ বা অন্য কোনো সুবিধা প্রদান বা গ্রহণের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।”

এক্ষেত্রে ইউএনওডিসি শোষণ বলতে বোঝাচ্ছে “ন্যূনতমভাবে অন্যের পতিতাবৃত্তি থেকে লাভবান হওয়া বা অন্যান্য ধরনের যৌন শোষণ, জোরপূর্বক শ্রম বা সেবা আদায়, দাসত্ব বা দাসত্বসদৃশ প্রথা, দাসসুলভ অবস্থায় রাখা, অথবা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অপসারণ করা।”

মানব পাচার প্রতিরোধে বৈশ্বিক উদ্যোগ : প্রতি বছর ৩০ জুলাই পালিত হয় জাতিসংঘের ‘বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস’। এবছর এই দিবসের প্রতিপাদ্য ‘Trapped Behind the Scam’ ‘প্রতারণার আড়ালের ফাঁদ’। অনলাইন প্রতারণার আড়ালে মানবিক সংকট ও সাইবার দাসত্বকে তুলে ধরতেই এই প্রতিপাদ্য। বিশ্বজুড়ে আন্ত-দেশীয় সংগঠিত অপরাধচক্র হাজার হাজার মানুষকে পাচারের মাধ্যমে শোষণ-নির্যাতন করছে। আর্থিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে বাধ্য করছে যা মানব পাচারের একটি ক্রমবর্ধমান রূপ। এটি সাইবার অপরাধ, আর্থিক প্রতারণা, অর্থপাচার এবং দুর্নীতির সঙ্গেও জড়িত।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় বলছে- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শুধু ২০২৩ সালেই বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার কারণে প্রায় ১৮ থেকে ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এটির একটি বড় অংশই সংঘবদ্ধ দেশী-বিদেশী অপরাধচক্রের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব অপরাধ একাধিক দেশে বিস্তৃত। তাই এগুলো মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত ‘জাতিসংঘ সাইবার অপরাধবিষয়ক কনভেনশন’ অনুযায়ী- ডিজিটাল অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় একটি নতুন বৈশ্বিক কাঠামো প্রদান করে। যা দ্রুত ও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, যৌথভাবে ইলেকট্রনিক প্রমাণ সংগ্রহ ও আদান-প্রদানে সহায়তা করে। চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে উন্মুক্ত করা হয়, যা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। ৪০টি দেশ অনুসমর্থন করার ৯০ দিন পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের ভেতরে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা জোরদার ও সীমান্তের বাইরে বিচারিক ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহবান জানিয়েছে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয়।

মানব পাচারের উদ্দেশ্য বা প্রতারণা সনাক্ত করার উপায় : সরল মন আর বিশ্বাস, অর্থনৈতিক সংকটকে কাজে লাগিয়েই চলে অনলাইন-অফলাইন প্রতারণা। প্রতারক চক্র ফাঁদের জাল বুনে সহজে বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘অল্প বিনিয়োগে কয়েক গুণ লাভ’; পুরস্কার বা লটারি জেতার খবর দিয়ে যেমন ‘আপনি একটি গাড়ি/মোবাইল/কোটি টাকা জিতেছেন’। জরুরি বিপদের গল্প বলে ’আপনার আত্মীয় দুর্ঘটনায় পড়েছেন/জরুরি টাকা পাঠান’; ভয় দেখিয়ে ‘ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে/মামলা হবে/মোবাইল নম্বর বন্ধ হবে’; ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ‘সরকারি কর্মকর্তা, ‘ব্যাংক প্রতিনিধি, পুলিশ, বা পরিচিত ব্যক্তির ভুয়া পরিচয়’; ভালোবাসার অভিনয় করে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে সম্পর্ক’; অনলাইনে কেনাকাটার অফার দিয়েও ‘কম দামে পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন’ চলে প্রতারণা।

অনেক সময় সামাজিক সেবার নামে প্রতারণা করে ‘দান, চিকিৎসা সহায়তা বা দুর্যোগ সহায়তার নামে অর্থ সংগ্রহ’; ভুয়া ওয়েবসাইট, ইমেইল বা এসএমএসের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, ওটিপি, ব্যাংক তথ্য সংগ্রহ করে (ফিশিং) চলে প্রতারণা। সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ‘পরিচিত কারও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা ধার বা সাহায্য চাওয়ার’ ঘটনা দেখা যাচ্ছে। বিনামূল্যে উপহার বা ফ্রি অফার ‘ফ্রি রিচার্জ/ফ্রি ইন্টারনেট/ফ্রি গিফট’ সহ নানান উপায়ে অপরাধীচক্র প্রতারণা করে চলেছে। এসব ঘটনার সম্মুখীন হওয়ার সাথে সাথে সতর্ক হওয়া জরুরি।

প্রতারণার ফাঁদে পড়লে তাৎক্ষণিক করণীয় : অনেক সময় প্রতারণার শিকার হতে হয় সরল মনে বিশ্বাস করে। এরকম হলে তাৎক্ষণিক কিছু পদক্ষে নেয়া জরুরি। যেমন- লেনদেন তাৎক্ষণিক বন্ধ করতে হবে; স্ক্যামারদের সাথে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করা জরুরি। তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা; স্ক্যামারদের পাঠানো ক্ষতিকর লিংকে ক্লিক না করা, অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে ফোন বা কম্পিউটার স্ক্যান করা উচিত। জরুরি আইনি সহায়তার জন্য যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ থানায় অভিযোগ দায়ের করা উচিত।

সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এর সাইবার ক্রাইম ইউনিটের হটলাইন নাম্বারে (+৮৮০১৩২০০১০১৪৬ অথবা +৮৮০১৩২০০১০১৪৭ অথবা +৮৮০১৩২০০১০১৪৮) কল করুন। জরুরি আইনি সহায়তার জন্য জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরেও কল করতে পারেন। তাছাড়া শিশুর প্রতি বানিজ্যিক যৌন শোষণের ঘটনায় হটলাইন নাম্বার ১০৯৮ এক কল করতে পারবেন।

বিদেশে পাচার বা বন্দিদশায় থাকলে করণীয় : কেউ যদি অন্য কোনো দেশে পাচার বা প্রতারণার শিকার হয়ে জোরপূর্বক আটকে থাকে, তাহলে সেই দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যত দ্রুত সম্ভব যোগাযোগ করার চেষ্টা করা উচিত। অভিভাবক বা পরিবারকেও নিজের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করতে হবে। প্রতারকচক্র মুক্তিপণ বা জরিমানা দাবি করলে কোনো অবস্থাতেই তা পরিশোধ করা না।

মানবপাচার রোধে যথাযথ আইন প্রয়োগ : মানবপাচার রোধে দেশি বিদেশী সংস্থা কাজ করছে প্রতিনিয়ত। তবে এই অপরাধ শুধু একটি দেশে সংগঠিত হয় না। যুক্ত থাকে বিভিন্ন দেশের পাচার চক্র। দেশের বাইরে পাচারের পাশাপাশি দেশের ভিতরেও মানবপাচার হয়। দেশের ভেতরের মানব পাচারের ঘটনা অনেক সময় আইনের আওতায় আনা হয় না। অজপাড়াগাঁ থেকে কোন মানুষকে শহরে কাজের লোভ দেখিয়ে এনে কাজ না দিয়ে নির্যাতন করাও আইনত মানব পাচার। অনেক সময় দেখা যায় কন্যা শিশুদেরকে নানান লোভ দেখিয়ে যৌন পেশায় নিয়ে আসা হয়। ঢাকায় সাম্প্রতিক হোটেলে, স্পা সেন্টারে কয়েকটি সফল অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ভুক্তভোগী শিশু উদ্ধার হয়েছে। আটক হয়েছে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদেরকেও। সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাও হয়েছে।

দেশের মধ্যে মানবপাচার ও আন্ত-দেশীয় মানবপাচার প্রতিরোধে আইনের ব্যাপারে সচেতনতা ও কঠোর প্রয়োগ জরুরী। মানব পাচারের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির সৃষ্টিও জরুরি। অপরাধীরা যাতে অপরাধ করে পার পেয়ে না যেতে পারে। শাস্তির নজির সৃষ্টি হলে অপরাধের আগে ও পরে অপরাধীর মনে যে ভয় থাকবে। মানব পাচারকারী যত শক্তিশালীই হোক, কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

লেখক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত, ফ্রিল্যান্স গণমাধ্যমকর্মী

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত