Monday , 27 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি ও প্রকৃতি
  12. ক্রীড়াঙ্গন
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গাইবান্ধা

প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে নামীনসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 27, 2026 7:01 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে কথিত প্রেমিক ফটোগ্রাফার নামীন আশরাফ মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এ ভুক্তভোগীর বড় বোন রাজিয়া সুলতানা এ মামলা করেন।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান মামলার অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে তদন্ত করে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন—মো. আশরাফউদ্দিন সোহেল ও মোসা. শাহনাজ বেগম।

বাদী পক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আবেদন থেকে জানা যায়, বাদীর বোন সাদিয়া ইয়াসফিয়া (২৪) মেকআপ আর্টিস্টের কাজ করতেন। অপরদিকে, মূল আসামি নামীম আশরাফ (৩৭) ফটোগ্রাফির কাজ করতেন। ২০২৪ সালে একটি প্রোগ্রামের শুটিংয়ে নামীন ও সাদিয়ার পরিচয় হয়। এভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রামের শুটিংয়ে তারা একসঙ্গে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রেমের সম্পর্ক হয়।

মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, প্রেমের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তারা বিয়ের জন্য কথাবার্তা বলেন। উভয়ের পরিবার বিষয়টি জানত। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন সাদিয়ার বড় বোন, বড় ভাই ও পরিবারের সদস্যরা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের গেন্ডারিয়ার ঢালকানগর গলির বাসায় যান। ওই বাসায় নামীম আশরাফের মা-বাবা বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তাদের ছেলের সঙ্গে সাদিয়াকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হবে বলে হুমকি দেন।

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওই ঘটনার পর গত ১০ জুন নামীম আশরাফ মোহাম্মদপুর উদ্যানে সাদিয়াদের বাসায় যান। ওইদিন রাত ৮টার দিকে সাদিয়াকে নামীম আশরাফ ডেকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। এরপর সাদিয়া আর বাসায় ফিরে আসেননি। এরপর ১৪ জুন রাজধানীর আদাবরের শেখরটেক ১২ এর কাদের পাটোয়ারীর বাসার দোতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে সাদিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ফ্ল্যাটটি আসামি নামীম আশরাফের ভাড়া করা এবং সেখানে তার স্টুডিও।

বাদী মামলায় অভিযোগ করেছেন, তার ছোট বোন সাদিয়াকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের সময় বাদী ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নম্বর আসামির মা ও বাবাকে ঘটনাস্থলে দেখতে পেয়েছেন।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর এই হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেন আসামিরা। পুলিশও তাদের সহযোগিতা করে। পরদিন পুলিশকে দিয়ে একটি এজাহার লিখিয়ে বাদীর ভাইকে দিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা করানো হয়। ওই মামলাটি ভুক্তভোগীর ভাইকে ভুল বুঝিয়ে করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে মামলার বাদী রাজিয়া সুলতানা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমার বোন সাদিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে এ ধরনের ঘটনা আর কেউ ঘটাতে সাহস না পায়।’

 

সর্বশেষ - অপরাধচিত্র বিশেষ

Share via
Copy link