মঙ্গলবার , ৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৪শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

ওবায়দুল কাদেরসহ সাবেক ১৩ সচিবের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রতিবেদক
Newsdesk
জানুয়ারি ৬, ২০২৬ ৩:০৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাবেক ১৩ সচিবের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব কামাল উদ্দীন আহমদ, সাবেক বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবদুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক সিএএজি ও সোনালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম আদালতে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসামিরা সপরিবারে দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা দেশত্যাগ করলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে অধিগ্রহণ করা ৪০ একর জমি পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মচারীদের জন্য ৯৯ বছরের লিজে আবাসন নির্মাণে ব্যবহার করা হয়। এতে ভূমি অধিগ্রহণ আইন-২০১৭ এর ১৯(১) ধারা অনুযায়ী ভূমি মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নেওয়া হয়নি, যা আইনবহির্ভূত বলে উল্লেখ করেছে দুদক।

এছাড়া বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৬ এর ১৩(২) ধারা অনুযায়ী কেবল অস্থায়ী ইজারা দেওয়ার বিধান থাকলেও কর্তৃপক্ষের ১০৬ ও ১০৭তম বোর্ড সভায় ‘বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তর ও প্রকল্পের স্থায়ী কর্মচারীদের জন্য নির্মিতব্য ফ্ল্যাট দীর্ঘমেয়াদি লিজ প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১৮’ অনুমোদন করা হয়।

দুদকের নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই নীতিমালা প্রণয়নে সরকারি গেজেট প্রকাশের বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করা হয়েছে। আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে আইনবহির্ভূত নীতিমালা প্রণয়ন করে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

 

 

সর্বশেষ - জেলার খবর