অপরাধচিত্র ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমানের অংশগ্রহণের একটি ছবি প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ৩ অক্টোবর শনিবার ছবিটি প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ছবিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ছবিটি হোয়াইট হাউসের সৌজন্যে পাওয়া গেছে।
ছবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনে যোগ দেওয়া বিশ্বনেতা ও তাঁদের স্বামী–স্ত্রীদের সম্মানে ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এই নৈশভোজের আয়োজন করেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে নৈশভোজটি অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে তখন নিউইয়র্কে ছিলেন তারেক রহমান। তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন জুবাইদা রহমান।
জাতিসংঘের ৮১ তম অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের স্ত্রীদের নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠক করেন মেলানিয়া ট্রাম্প। সেখানে তিনি বিশ্বব্যাপী শিশুদের কল্যাণে তাঁর উদ্যোগ ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ উন্মোচন করেন। অন্য দেশের ফার্স্ট লেডিদেরও এ উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সময় ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে এটি ছিল তাঁর প্রথম ভাষণ। সফর শেষে ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফেরেন।
ভাষণে তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনে তাঁর সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। দেশকে পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’—এই তিনটি বিষয়কে ভিত্তি করে ‘থ্রি–আর’ কৌশল অনুসরণের কথা জানান তিনি। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাত সংলাপ, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দেন।
রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়াকেই এ সংকটের একমাত্র সমাধান হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। সংকটের স্থায়ী সমাধানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় ও কার্যকর সমর্থন চান। একই সঙ্গে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।

















