রবিবার , ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্য ভোটার উপস্থিতির আহ্বান ইইউয়ের

প্রতিবেদক
Newsdesk
জানুয়ারি ১১, ২০২৬ ১০:০৬ অপরাহ্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশে আসা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস ইয়াবস বলেছেন, ব্যালটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন—এই দুটি ঐতিহাসিক নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তিনি সমাজের সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ এবং ভোটারদের বিশ্বাসযোগ্য উপস্থিতির ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ইয়াবস বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে নির্বাচন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি, নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস গড়ে তুলতে এখানে আমাদের কার্যক্রম ভূমিকা রাখবে।’

তফসিল অনুযায়ী, বর্তমানে মনোনয়নপত্র নিয়ে আপিল শুনানি চলছে, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, যা চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। তারপর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনের দুই দিন পর, অর্থাৎ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিয়ে একটি প্রাথমিক বিবৃতি দেবে ইইউ মিশন। ওইদিন ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে তাদের। তার দুই মাসের মধ্যে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশসহ একটি পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করবে তারা।

ইভারস ইয়াবস জানিয়েছেন, ২০০৫ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত ‘আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা’ অনুযায়ী তাদের মিশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাংলাদেশেও ইইউ পর্যবেক্ষক মিশনের সবাই কঠোর আচরণবিধি মেনে চলবেন।

আসন্ন নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ইইউ দেয় গত ১৬ ডিসেম্বর। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইয়াবস প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে ওই দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে সেদিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়। এরপর ডিসেম্বরের শেষ দিকে দলটি বাংলাদেশে এসে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। সবশেষ আজ (রবিবার) আরও ৫৬ জন পর্যবেক্ষক দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে অবস্থানের জন্য ঢাকা পৌঁছেছেন। দেশের ৬৪ জেলায় দলটি তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের পর এটিই বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

এ বিষয়ে প্রধান পর্যবেক্ষক ইয়াবস বলেন, ‘পারস্পরিক সম্মান ও গণতান্ত্রিক নীতিতে অভিন্ন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউয়ের অংশীদারত্বের গুরুত্ব পুনরায় নিশ্চিত করে এই মিশন।’

ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সফরের শুরুতে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চলমান নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রত্যক্ষ তথ্য নেন ইয়াবস।

মিশনের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্বাচন প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, বিচার বিভাগ, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন পর্যবেক্ষকরা। সেইসঙ্গে নির্বাচনের প্রস্তুতি, আইনগত কাঠামো ও তার বাস্তবায়ন, নির্বাচনি প্রচারণা এবং নির্বাচনসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিসহ পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করবেন তারা। এছাড়া রাজনৈতিক দল এবং নারী, তরুণ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীসহ সব নাগরিকের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সামগ্রিক পরিসর মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ইয়াবস জানিয়েছেন, এ ছাড়াও ভোটারদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কতটা সহায়ক ভূমিকা রাখছে, তা পর্যালোচনার জন্য ইইউ মিশনের আলাদা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ ইউনিট রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, জাতীয় আইন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনি মানদণ্ডের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাও মূল্যায়ন করবে এই মিশন।

প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, ‘তিনটি মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে আমরা নির্বাচনের কারিগরি মূল্যায়ন করে থাকি, সেগুলো হলো: স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও হস্তক্ষেপ না করা। এ লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘমেয়াদি, দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণ করা যায়—এমন একটি শক্তিশালী ও সুপ্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি অনুসরণ করব। আমরা পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করব, তবে ভোটের ফল নিয়ে প্রত্যয়ন করব না। এই নির্বাচন কেবল বাংলাদেশের জনগণের।’

পূর্ণ সক্ষমতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্যরাষ্ট্র ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক এই মিশনে অংশ নেবেন। এর মধ্যে ঢাকাভিত্তিক ১১ সদস্যের একটি মূল বিশ্লেষক দল, ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক, নির্বাচনের ঠিক আগে মোতায়েনযোগ্য ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক এবং ইইউ সদস্যরাষ্ট্র ও অংশীদার দেশগুলোর কূটনৈতিক মিশন থেকে পর্যবেক্ষকেরা থাকবেন। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধিদল মিশনকে আরও শক্তিশালী করবে।

 

 

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

সাংবাদিক হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিকদের

আওয়ামী লীগ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে : মঈন খান

অতিরিক্ত ভাড়া নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে: হাইওয়ে পুলিশপ্রধান

বনানী থানার ওসিসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে তাবিথ আউয়ালের মামলার আবেদন

জাতীয় পার্টির সঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচন ও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে

ঢাকা-চট্টগ্রাম-বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন

টিআইবি বিএনপির শাখা সংগঠন, মতাদর্শও একই : ওবায়দুল কাদের

সাজেকে দুর্বৃত্তের গুলিতে ২ ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

নতুন সরকারকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে: শাহবাজ

মার্চেই হাসিনার বিরুদ্ধে বিশেষ মামলার প্রতিবেদন: চিফ প্রসিকিউটর