Sunday , 19 April 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

বেইলি রোড ট্র্যাজেডি : ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রতিবেদক
Newsdesk
April 19, 2026 8:55 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সেই ভবনের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে পলাতক ১৩ আসামিকে গ্রেফতারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রবিবার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত। আগামী ১৯ মে আসামিদের গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক জিন্নাত আলী বলেন, ২২ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজির ছিলেন। অন্য ১৩ জন অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।

এর আগে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সাতটি ধারার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এ অভিযোগ পত্র জমা দেন।

অভিযোগ পত্রে উল্লিখিত আসামিরা হলেন, চায়ের চুমুক কফিশপের স্বত্বাধিকারী আনোয়ারুল হক, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মুন্সি হামিমুল আলম বিপুল, কাচ্চি ভাই, খানাজ এবং তাওয়াজ রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল সিরাজ, চায়ের চুমুক কফিশপের স্পেস মালিক ইকবাল হোসেন কাউসার, কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জেইন উদ্দিন জিসান, জেস্টি রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মোহর আলী পলাশ ও মো. ফরহাদ নাসিম আলিম, ফুকো রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মতিন, ৬ষ্ঠ তলার ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম খাঁন, মেজবানিখানা রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লতিফুর নেহার, খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ও অঞ্জন কুমার সাহা, অ্যামব্রোশিয়া রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. মুসফিকুর রহমান, পিৎজাইন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী জগলুল হাসান, স্ট্রিট ওভেন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আশিকুর রহমান ও হোসাইন মোহাম্মদ তারেক, ফুকো রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী রাসেল আহম্মেদ, মো. সাদরিল আহম্মেদ শুভ, আদিব আলম, রাফি উজ-জাহেদ ও শাহ ফয়সাল নাবিদ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করেন। তারা সরকারের বিভিন্ন দফতরের বৈধ অনুমোদন না নিয়ে নিয়ম-নীতি না মেনে অবৈধভাবে হোটেল ব্যবসা পরিচালনাসহ হোটেলে গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহার করেন। যে কারণে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পৌনে ১০টায় অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন ৎনিহত হয়। এর মধ্যে ৩ জন সম্পূর্ণরূপে আগুনে পুড়ে মারা যান।

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়। ১১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। আর জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে।

এ ঘটনায় ১ মার্চ বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলায় পরস্পর যোগসাজশে অবহেলা, অসাবধানতা, বেপরোয়া, তুচ্ছতাচ্ছিল্য পূর্ণ কাজের জন্য গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিদগ্ধ ও শ্বাসনালিতে ধোঁয়া প্রবেশ করে জীবন বিপন্নসহ মারাত্মক জখম ও এর ফলে মৃত্যু ঘটানো এবং ক্ষতি সাধন করার অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

 

 

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

নিজের ভুলের জন্য সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন তিশা

চট্টগ্রাম অঞ্চল বন সংরক্ষক মোল্যা সিন্ডিকেটে বনায়ন ধ্বংস, ঘুষ নিতে করেছেন সিন্ডিকেট

বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড: ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কলকাতায়

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সময়োপযোগী করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভোট বর্জন করলেন হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী জসীম

সম্মানি পাচ্ছেন আরও ২ লাখ ৫৬ হাজার ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবক

বন্যার আশঙ্কায় দেশের ১২ জেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারিতা নয় : প্রেস সচিব

ড. ইউনূস আছেন বলে অর্থনীতির গতি ফিরছে: মান্না