Tuesday , 27 October 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

আত্মগোপনে থেকেও কমিটি নিয়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ, মির্জাগঞ্জে সভাপতির দায়িত্ব পরিবর্তনে তোলপাড়

প্রতিবেদক
Newsdesk
October 27, 2026 10:25 pm

ছাত্রলীগের ৮১৬ সদস্যের কমিটি নিয়ে প্রশ্ন, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব পরিবর্তন; জানাজায় গাজী আতাহার উদ্দিনের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

অপরাধচিত্র রিপোর্ট: পটুয়াখালীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠন এবং নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। জেলা ছাত্রলীগের ৮১৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ বণ্টন থেকে শুরু করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি গাজী আতাহার উদ্দিন আহমেদের দায়িত্ব পরিবর্তন—সবকিছু ঘিরেই উঠেছে নানা প্রশ্ন।

আত্মগোপনে থাকা নেতাদের বিরুদ্ধে পদ বাণিজ্যের অভিযোগও তুলেছেন কয়েকজন নেতাকর্মী। তাঁদের অভিযোগ, জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন ও পদ বণ্টনে আর্থিক লেনদেনের প্রভাব রয়েছে।
বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে জেলা ছাত্রলীগের বিশাল কমিটি গঠনের স্বচ্ছতা, মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এবং জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অতীতের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ। ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের দায়িত্ব পরিবর্তনসংক্রান্ত একটি চিঠি এবং ২৪ অক্টোবর জানাজায় গাজী আতাহার উদ্দিনের উপস্থিতির ছবি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

৮১৬ সদস্যের কমিটি, পদ পেতে ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ:

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের ৮১৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কমিটিতে স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁদের একাংশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, কমিটিতে পদ পেতে পাঁচ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। কমিটিতে বিবাহিত ব্যক্তি, প্রবাসী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। তাঁদের দাবি, কমিটির অনেক সদস্যের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

তবে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম পদ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কাছ থেকে নাম সংগ্রহ করে কমিটি করা হয়েছে। কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না বলেও তিনি স্বীকার করেছেন। অভিযোগ পাওয়া ব্যক্তিদের কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ অবস্থায় এত বড় কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সদস্যদের পরিচয়, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও যোগ্যতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেতাকর্মীরা।

১৯ অক্টোবরের চিঠিতে দায়িত্ব পরিবর্তন:

মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি গাজী আতাহার উদ্দিন আহমেদের পরিবর্তে সহ-সভাপতি রুস্তম আলী মোল্লাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের একটি চিঠিতে ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল বর্ধিত সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবদুল মান্নান দাবি করেছেন, সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তবে কয়েকজন নেতার দাবি, ওই সভায় দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুলতান আহমেদ মৃধার বক্তব্য, জেলা সভাপতি কাজী আলমগীর দায়িত্ব পরিবর্তন-সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে সাধারণ সম্পাদককে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিলেন।

দুই পক্ষের এমন ভিন্ন বক্তব্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নেতাকর্মীদের একাংশ জানতে চান, সভার সিদ্ধান্ত কীভাবে চূড়ান্ত হলো এবং দায়িত্ব পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দলীয় সাংগঠনিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না।

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব পরিবর্তন, জানাজায় উপস্থিত গাজী আতাহার:

দায়িত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের মধ্যে গত ২৪ অক্টোবর মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জুয়েলের বাবার জানাজায় গাজী আতাহার উদ্দিনের উপস্থিতির একটি ছবি সামনে আসে। ছবিতে তাঁকে জানাজাস্থলে অন্যদের সঙ্গে বসে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রশ্ন, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দীর্ঘদিনের সভাপতির দায়িত্ব পরিবর্তন করা হলে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা কীভাবে বিবেচনা করা হয়েছিল?

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেছেন, গাজী আতাহার উদ্দিন প্রায় আড়াই বছর ধরে দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তাঁর অসুস্থতা এবং চার সহ- সভাপতির মৃত্যুর কারণে সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখতে দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে। গাজী আতাহার উদ্দিন সুস্থ হলে সভাপতির দায়িত্ব ফিরে পাবেন বলেও তিনি দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, গাজী আতাহার উদ্দিন ফেসবুক লাইভে দায়িত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক ও নিয়মবহির্ভূত বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে তিনি দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় তিনি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
জানাজায় তাঁর উপস্থিতির বিষয়টি সামনে আসার পর নেতাকর্মীদের একাংশ বলছেন, দায়িত্ব পরিবর্তনের আগে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও সাংগঠনিক সক্ষমতা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন ছিল।

৫৩ বছরের রাজনৈতিক পথচলা, তবু দায়িত্ব পরিবর্তন:

স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাজী আতাহার উদ্দিন ১৯৭৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত রাজনৈতিক জীবনে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ৩১ বছর এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২২ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।
দীর্ঘদিনের এই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তাঁর সমর্থকদের দাবি, দায়িত্ব পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান, সাংগঠনিক অবস্থান এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি।

তাঁদের আরও বক্তব্য, গঠনতন্ত উপক্ষা করে উপজেলা আওয়ামী লীগের ২ জন সিনিয়ার সহ- সভাপতি অ্যাড: ইউসুফ আলী হাওলাদার ও মো: বারেক সিকদারকে রেখে কিসের বিনিময় রুস্তন আলী মোল্লাকে ভারপ্রাপ্ত করা হয়েছে তা আমাদের জানা নেই। এদিকে আরএক সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান খাঁন দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা রাখেন বলেও দাবি করেন সমর্থকেরা। তাঁদের প্রশ্ন, তাঁকে বিবেচনায় না নিয়ে রুস্তম আলী মোল্লাকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো?

রুস্তম আলী মোল্লার স্থানীয় সাংগঠনিক অবস্থান নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করায় স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা সীমিত এবং তাঁর পক্ষে উল্লেখযোগ্য কর্মী-সমর্থক নেই। তাঁদের দাবি, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংগঠনিক গ্রহণযোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা না করে দীর্ঘদিনের সভাপতির দায়িত্ব পরিবর্তন করাকে অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ:

পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর ও সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে অতীতেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পদ বণ্টনকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছিল বলে নেতাকর্মীদের একাংশ দাবি করেছেন।
২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীরের বিরুদ্ধে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ সামনে আসে। এ অভিযোগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ দাবি করেন, জেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কমিটি গঠনকে ঘিরে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ নতুন নয়।

বর্তমানেও জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কমিটি গঠন এবং পদ বণ্টনের নামে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন কয়েকজন নেতাকর্মী। তাঁদের দাবি, পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক যোগ্যতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আর্থিক প্রভাবও কাজ করছে।
জেলা সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর ব্যক্তিগত ব্যয়ভার পটুয়াখালীর সাবেক এক পৌর মেয়র বহন করতেন। এমনকি তাঁর বাসার বাজার পর্যন্ত ওই মেয়রের মাধ্যমে করানো হতো বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।
এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য জানতে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি—।

আত্মগোপনে থেকেও সাংগঠনিক তৎপরতার অভিযোগ:

স্থানীয় একাধিক নেতাকর্মীর দাবি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর বর্তমানে আত্মগোপনে থেকে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন উপদল ও কমিটি গঠন নিয়ে তাঁর তৎপরতা রয়েছে। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

জেলা সভাপতি কাজী আলমগীরের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুস্তম আলী মোল্লার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়াও সম্ভব হয়নি।
নেতাকর্মীদের প্রশ্ন, জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হচ্ছে, কারা এসব সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখছেন এবং স্থানীয় নেতাদের মতামত কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে?

জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা চান নেতাকর্মীরা:

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের ৮১৬ সদস্যের কমিটি এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।
একদিকে ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ পেতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের সভাপতিকে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব পরিবর্তন এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—সব মিলিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
নেতাকর্মীদের একাংশের দাবি, কমিটি গঠন ও পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং স্থানীয় পর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের ভিত্তি ও অনুমোদনপ্রক্রিয়া স্পষ্ট করা উচিত।

মির্জাগঞ্জে গাজী আতাহার উদ্দিনের দায়িত্ব পরিবর্তন নিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটাতে জেলা নেতৃত্বের ব্যাখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট নথি সামনে আনার দাবি উঠেছে। অন্যদিকে, ছাত্রলীগের কমিটি ঘিরে পদ বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য ও সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে পটুয়াখালীতে কমিটি গঠন ও নেতৃত্ব পরিবর্তনকে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সাংগঠনিক স্বচ্ছতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গ্রহণযোগ্যতা এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের স্পষ্ট বক্তব্য ও নথিভিত্তিক ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিতর্কের বিভিন্ন দিক আরও পরিষ্কার হবে।

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

জাল দলিলে হাতবদল: বরিশাল সেটেলমেন্ট অফিসের আড়ালের গল্প

৯ ক্ষেত্রে ব্যয় কমাতে সরকারের বিশেষ নির্দেশনা

স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ

আটক ২৪ জেলেকে ফেরত দিয়েছে আরাকান আর্মি

জানুয়ারিতে নতুন বই, প্রাথমিকে দেওয়া হবে ইউনিফর্ম: শিক্ষামন্ত্রী

নির্বাচন ঘিরে ২১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ফুটপাত-রাস্তা দখল করে যুবদলের ওয়ার্ড কার্যালয়

ঈদ ঘিরে সক্রিয় চক্র, ২০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ৩

দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানিতে আওয়ামীলীগের আস্তানা তৈরিতে ব্যস্ত এম ডি রাব্বিক হাসান