Tuesday , 14 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি ও প্রকৃতি
  12. ক্রীড়াঙ্গন
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গাইবান্ধা

এমসি কলেজে গৃহবধূকে ধর্ষণ: একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 14, 2026 7:05 pm

সিলেট প্রতিনিধি :

সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণে আলোচিত মামলার রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অভিযুক্ত ৪ জন খালাস পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই রায় ঘোষণা করেন।

আসামিরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সবাই বর্তমানে কারাগারে আছেন।

রায়ে প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক) ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমানকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় ৮ আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়কে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি আদালতে প্রবেশে তল্লাশি জোরদার করা হয়।

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামীর সঙ্গে সিলেটের এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। তাকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করেন কয়েকজন।

পরদিন সকালে গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

ঘটনাটি দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। প্রতিবাদে সরব হয় বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও অধিকার সংগঠন।

ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও ৩ দিনের মধ্যে ৬ আসামি ও সন্দেহভাজন দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র‌্যাব।

জানা গেছে, ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ৮ আসামিকে ৫ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তারা। প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি এবং অর্জুন লস্কর ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। এ ছাড়া রবিউল ও মাহফুজুর ধর্ষণে সহায়তার কথা স্বীকার করেছেন।

পরে আসামিদের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষায় ৮ জন আসামির মধ্যে ৬ জনের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়।

এদিকে ঘটনার রাতে ছাত্রাবাসে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আলাদা মামলা করা হয়। পরে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনিকে ওই মামলায় আসামি করা হয়।

এছাড়া ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর কাছে চাঁদা দাবি ও গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করে।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন করে আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেয় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। পরে দুটি মামলার বিচারকাজ একই আদালতে করার নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করে বাদীপক্ষ।

মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

 

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৫ জামাত

সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে তা বিতর্কিত হতে পারে : ড. বদিউল আলম

সাংবাদিক আনিস আলমগীর এক মামলায় জামিন পেলেন

ফিরে দেখা লিটল ম‍্যাগ আড্ডায় উঠে এল তিস্তাপারের মানুষের জীবন জীবিকার নানা আখ্যান

জুলাই সনদ স্বাক্ষর রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য ঘটনা: মির্জা ফখরুল

রাজনৈতিক-আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের বাইরে থেকে দুদক গঠনের আহ্বান টিআইবির

পদ্মা সেতুর ৪ বছর : টোল আদায় প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা

২০২৬ বিশ্বকাপে কি নেই নেইমার? আশঙ্কায় ব্রাজিল

পটুয়াখালী-৩ আসনে কার্যক্রম চালাতে নুরকে সহযোগিতার নির্দেশ বিএনপির !