রবিবার , ২৮ জুলাই ২০২৪ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্রগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বিনোদন
  15. ব্যাবসা-বাণিজ্য

সাংবাদিক হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিকদের

প্রতিবেদক
Newsdesk
জুলাই ২৮, ২০২৪ ১২:০১ পূর্বাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক :

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির দেশব্যাপী নারকীয় নাশকতা চালায়। তারা জঙ্গি কায়দায় বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। মানুষ হত্যা করেছে। সাংবাদিকদের খুঁজে খুঁজে আক্রমণ করেছে। একশের বেশি সাংবাদিক আহত হয়েছে। চারজন সাংবাদিক নিহত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরামের প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন সাংবাদিক নেতারা। এসময় তদন্ত কমিশন গঠন করে অবিলম্বে সাংবাদিক হত্যাকারী ও আক্রমণকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি করা হয় প্রতিবাদ সভায়।

‘বিএনপি জামায়াত শিবির কর্তৃক সাংবাদিকসহ মানুষ হত্যা ও দেশব্যাপী ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে’ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শনিবার (২৭ জুলাই) এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সভাপতি ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

সভায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে কোটা সংস্কার আন্দোলন চালিয়ে নিচ্ছিলেন। সুশৃঙ্খলভাবে তাদের দাবি তুলে ধরেন। কিন্তু আন্দোলন চলাকালে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী হীনস্বার্থ চরিতার্থ করে আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে সারাদেশে নৃশংসতা চালিয়েছে। ধ্বাংসত্মক এ কাজের জন্য দায়ী বিএনপি ও জামায়াত-শিবির। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জঙ্গিরা। পরিকল্পিত ভাবে বিটিভি পুড়ে দেয়া হলো। মেট্রোরেল পুড়িয়ে দেয়া হলো। কঠোর হাতে এই নাশকতাকারীদের দমন করার আহ্বান জানা তিনি।

তিনি আরো বলেন, সরকার পরিবর্তন ও রাজনৈতিক আন্দোলন করার অধিকার সব সংগঠনের আছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে করা হলো আগুন সন্ত্রাস। এটা রাজনীতি নয় রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড। মানুষ মেরে, হত্যা করে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুড়ে সরকার পরিবর্তন করা যায় না।

সভায় মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, অনেক সাংবাদিক আহত ও ৪ জন নিহত হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের জন্য কমিশন গঠন করতে হবে। আইনমন্ত্রীকে তদন্ত কমিশন করে সাংবাদিক হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আজকে স্বাধীনতার বিপক্ষের শত্রুর বিরুদ্ধে এক হওয়া উচিত। বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা যেসব প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে এগুলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, সরকার বা আওয়ামী লীগের নয়। যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে তাদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।

শ্যামল দত্ত বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে গত ১৬ জুলাই থেকে নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির। মানুষকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। বিটিভি, মেট্রোরেল, সেতু ভবন পুড়ে দেয়া হলো। তাদের হাত থেকে সাংবাদিকরাও রেহাই পায়নি। টার্গেট করে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। চারজন সাংবাদিক নিহত হয়েছে। একশ জনের উপরে সাংবাদিক আহত হয়েছে। সরকারের কাছে আহত ও নিহত সাংবাদিক পরিবারের জন্য সাহায্যের আবেদন জানান তিনি।

চলমান সহিংসতায় যাত্রাবাড়িতে গুরুতার আহত কালের কন্ঠের সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল করিম বলেন, যাত্রাবাড়িতে দায়িত্বপালনের সময় আমরা ক্যামেরা তছনছ করেছে। মোটরসাইকেল পুড়ে দেয়া হলো। মোবাইল কেড়ে নেয়া হলো। ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে পালিয়ে কোন রকমে জানে বাঁচলাম।

সর্বশেষ - জেলার খবর