স্পোর্টস ডেস্ক :
জাতীয় প্রাথমিক দলে ৩৮ ফুটবলারকে ডেকে ছিলেন স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা। কথা ছিল চার দিন অনুশীলন করবেন। কিন্তু চার দিনের অনুশীলন না করেই ৩০ জন নিয়ে সৌদি যাবেন তিনি। গোলরক্ষক সাকিব, জিকো। তাদের সঙ্গে ইয়াসিন, মুরাদ, শান্ত, মেহেদী, রাহুল, রফিক বাদ পড়েছেন।
কোনো অনুশীলন ছাড়াই কেন বাদ পড়লেন সেই প্রশ্নে ম্যানেজার আমের খান বলছেন, ‘এটা কোচ জানেন। তিনি যেভাবে বলেছেন সেটাই করা হয়েছে।’ সহকারী কোচ হাসান আল মামুনের যুক্তি হচ্ছে যাদেরকে দেখার কোচ আগেই দেখে ফেলেছেন। এখন নতুন করে কিছু দেখার নেই। আট জনকে বাদ দেওয়া হয়নি। মূল দল থেকে কেউ ইনজুরিতে পড়লে কিংবা কোনো সমস্যায় খেলতে না পারলে আট জনের তালিকা থেকে তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় দলের এ সাবেক ডিফেন্ডার। তিনি বলেন, ‘এখানে ভুল বুঝাবুঝির কিছু নেই।’
ফুটবলারদের ডেকে নিয়ে ঠাট্টা করেছেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। সাকিব আল হাসান প্রথম বার ডাক পেলেন, অথচ ট্রায়াল দেওয়ার সুযোগ পেলেন না। গোলরক্ষক জিকো তার ক্লাব বসুন্ধরায় ৩ ম্যাচ খেলেছেন, যদি না চলে তাহলে কেন জিকোকে ডেকে ছিলেন কোচ। জামাল ভূঁইয়া লিগে না খেলেও জাতীয় দলে থাকছেন। কোচ কোথায় তার খেলা দেখেছেন সেটা কেউ জানেন না।
জাতীয় দলে কখনোই চুলচেরা বিশ্লেষণ করে খেলোয়াড় ডাকেন না কোচ। বসুন্ধরা কিংসের বেঞ্চে বসা ফুটবলার, যে কিনা লিগে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না, কিংবা অনিয়মিত তাকে জাতীয় দলে খেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্য ক্লাবে নিয়মিত একাদশে থাকলেও নজর থাকছে না। জাতীয় দলের জন্যই লিগে দুই রাউন্ডের খেলাকে এক রাউন্ড করা হয়েছে। লিগের খেলাও হলো না, নাম ঘোষণা করেও খেলোয়াড়দের অনুশীলন হলো না। তার আগেই আট জন বাদ।
অথচ বাদ পড়া খেলোয়াড়রা বলছেন তাদেরকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পনার কথা বলেননি কোচ। হাসান আল মামুন বলছেন কেউ ইনজুরিতে পড়লে আট জন থেকে নেওয়া হবে। কথাটা জানা নেই বাদ পড়া আট জনের। ইয়াসিন খান বললেন, কেউ ইনজুরিতে পড়লে আট জন থেকে রিপ্লেস করার কথা আমাদেরকে বলা হয়নি। কোচের সঙ্গেও দেখা হয়নি, কথাও হয়নি। আমরা ইন্ডিয়ান অ্যাম্বেসিতে গিয়েছিলাম ওখানেও দেখা হয়নি। এখন শুনলাম আমরা বাদ।’ আজ সন্ধ্যায় আমন্ত্রিত ৩০ ফুটবলার ক্যাম্পে যোগ দিবেন।