অপরাধচিত্র ডেস্ক: ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের নতুন চর খাড়াকান্দিতে থাকেন শরীফ শিকদার। স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে চরের খাসজমিতে তাঁর এক কক্ষের ঘর। অন্যের জমিতে দিনমজুরি করে সংসার চালান। কখনও বর্গা চাষও করেননি। অথচ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের হযরতপুর, কেরানীগঞ্জ শাখায় এক লাখ ১০ হাজার টাকার শস্যঋণ তাঁর নামে।
একই এলাকার বাসিন্দা বিধবা আমেনা বেগম। নিজের ঘর নেই। অন্যের বাড়িতে থেকে কাজ করেন। তাঁর একমাত্র ছেলে পলাশ শিকদারের নামে ২০১৫ সালে ১৫ হাজার টাকার কৃষিঋণ সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে স্থানীয় দালাল সাত হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তাঁকে দেওয়া হয় আট হাজার টাকা। ২০১৮ সালে তাঁর নামে ৩০ হাজার টাকার নতুন ঋণ দেখিয়ে আগের ঋণ সমন্বয় করা হয়। সেই ঋণ সুদে-আসলে এখন ৪৫ হাজার ৪৩৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ছেলে বিদেশ চলে যাওয়ায় ঋণের দায় এখন আমেনা বেগমের ওপর।
শরীফ শিকদার ও আমেনা বেগমের মতো কয়েক হাজার প্রান্তিক মানুষ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি চক্রের কবলে পড়েছেন। শুধু কেরানীগঞ্জের হযরতপুর শাখায় নিয়মবহির্ভূতভাবে এক হাজার ৯২২টি ঋণের বিপরীতে ৯ কোটি ১২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ শাখায় ৩১৫টি ও কুষ্টিয়া শাখায় ১৬৫টি ভুয়া ঋণ চিহ্নিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন ও কৃষি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় এ তথ্য জানা গেছে। তদন্তের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঋণ শোধ করতে হবে না কিংবা সরকারি অনুদান হিসেবে অর্থ এসেছে– এমন কথা বলে স্থানীয় দালাল ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বিভিন্ন সময়ে এসব ভুয়া ঋণ সৃষ্টি করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে জালিয়াতি ধরা পড়েছে। কোনো কোনো জায়গায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হয়েছে।
যাদের নামে ঋণ তোলা হয়েছে, তাদের অধিকাংশের অক্ষরজ্ঞান নেই। তারা বর্গাচাষি নন। তাদের পেশা দিনমজুর, জেলে, রিকশা-ভ্যানচালক, রাজমিস্ত্রি, মুদি দোকানদার কিংবা প্রবাসী। কেউ কেউ বেকার। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) কপি সংগ্রহ করে ভুয়া ঋণ সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদের হাতে সামান্য কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে বড় অংশ দালাল ও ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তারা ভাগ করে নিয়েছেন।
শরীফ শিকদার বলেন, ২০০৮ সালে স্থানীয় দালাল অহিদুল কিছুদিন পর সরকার মাফ করে দেবে বলে তাঁকে ৯ হাজার টাকা ঋণ এনে দেয়। তাঁর পরিচিত প্রায় ৯০ জনকে এভাবে ঋণের জালে জড়ানো হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর নাম ১৫ হাজার টাকার শস্যঋণ নেওয়া হয়েছে। কৃষি ব্যাংক হযরতপুর শাখার কর্মীরা তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চার দফায় মোট আড়াই হাজার টাকা নিয়ে যান। গত সপ্তাহে শাখা থেকে ডেকে তাঁকে জানানো হয়, সুদে-আসলে তাঁর ঋণের পরিমাণ এখন এক লাখ ১০ হাজার টাকা।
সূত্র জানায়, শরীফ শিকদারের নামে ঋণ বিতরণের পর বারবার তা নবায়ন বা নতুন ঋণ সৃষ্টি করে আগের দায় সমন্বয় করা হয়েছে। অথচ তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। সর্বশেষ ২০১৮ সালে তাঁর নামে ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা বিতরণ দেখিয়ে আগের দায় সমন্বয় করা হয়। ২০২৪ সালের জুন শেষে যার স্থিতি দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ৬৮৭ টাকা।
আমেনা বেগম একই রকম তথ্য জানিয়ে সমকালকে বলেন, তাঁর ছেলে দালালের খপ্পরে পড়েছেন। ছেলের ঋণ শোধের মতো অবস্থা তাঁর নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সমকালকে বলেন, কৃষিঋণ নিলে আর দিতে হবে না– অনেকের মধ্যে এ রকম একটি ধারণা রয়েছে। এটি কাজে লাগিয়ে দালাল চক্রের যোগসাজশে অনেক কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা পেতে ভুয়া ঋণ দিয়ে থাকতে পারেন। ভুয়া ঋণের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাকে অবশ্যই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
ভুয়া গরুর খামার ও জমির তপশিল
কৃষি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হযরতপুর শাখা থেকে পাঁচজনের নামে ৪ শতাংশ সুদে গরু মোটাতাজাকরণের নামে সাত লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হয়। যাদের নামে ঋণ দেওয়া হয়েছে, সরেজমিন তাদের কারও কোনো গরুর খামার পায়নি ব্যাংকের নিরীক্ষা দল। এ ছাড়া ভুয়া ও কাল্পনিক জমির তপশিল দেখিয়ে ঋণ পাওয়ার অযোগ্য, ভূমিহীন এবং অকৃষকদের নামে এক হাজার ৯২২টি শস্যঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর ও মালিকানার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এমনকি অনেক তপশিলের কোনো অস্তিত্বই নেই। এসব অনিয়ম হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, যখন শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন এম এম আজিজুল করিম। জালিয়াতির তথ্য পাওয়ায় ২০২২ সালে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে ব্যাংক। বর্তমানে তিনি প্রধান কার্যালয়ের নিরীক্ষা (অডিট) বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) হিসেবে কর্মরত।
ব্যাংকের তদন্তে পাওয়া অনিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে এম এম আজিজুল করিম সমকালকে বলেন, তিনি হযরতপুর শাখা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব নেওয়ার পর খেলাপি ঋণ কমাতে প্রধান কার্যালয় থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। যে কারণে নতুন ঋণ সৃষ্টি করে আগের ঋণ সমন্বয় করেন। তাঁকে ফাঁসানোর জন্য একটি পক্ষ বিষয়টি সামনে এনেছে বলে তিনি দাবি করেন।
শাখা ব্যবস্থাপকের অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক অর্থ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের মালিকানাধীন আনন্দ পুলিশ হাউজিং সোসাইটির আড়াই একর জায়গায় শস্য চাষের জন্য কায়েতপাড়ার মর্জিনা বেগমের নামে ২০২৪ সালে ৮০ হাজার টাকার শস্যঋণ সৃষ্টি করে রূপগঞ্জ শাখা। একই এলাকার মুড়াপাড়ার বিকাশ চন্দ্রের নামে ৬০ হাজার টাকার শস্যঋণ দেখানো হয়। তাঁর ক্ষেত্রে যে ২ দশমিক ৪৭ একর জমি দেখানো হয়, তা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রকল্পভুক্ত। একইভাবে রাজউক পূর্বাচলের ২ দশমিক ৯০ একর জমিতে ফসল চাষের নামে আমিরুল মিয়ার নামে ৬০ হাজার টাকার ঋণ দেখানো হয়েছে। এভাবে ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অন্তত ৩১৫টি ভুয়া ঋণ দিয়েছে রূপগঞ্জ শাখা।
তদন্তে উঠে এসেছে, রূপগঞ্জ শাখার তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক মাহবুব আলম ২০২১ সালের অক্টোবরে এফডিআরের বিপরীতে ১৬ লাখ টাকার ঋণ সৃষ্টি করে তুলে নেন। অথচ তাঁর নামে ওই শাখায় কোনো এফডিআর ছিল না। একই বছরের ডিসেম্বরে আরও ১০ লাখ টাকার ঋণ নেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মাহমুদ হাসান নামে এক ব্যক্তির নামে ১৮ লাখ টাকার ঋণ সৃষ্টি হয়। এই ঋণের টাকা চলে যায় শাখা ব্যবস্থাপকের অ্যাকাউন্টে। তিনি দায়িত্ব পালনকালে নিজের ব্যাংক হিসাবে বেতন-ভাতার বাইরে প্রায় পাঁচ কোটি ৩৩ লাখ টাকা জমা ও সমপরিমাণ টাকা উত্তোলন হয়েছে। নিরীক্ষা দল মনে করছে, এই অর্থ ঘুষ বা ঋণের কমিশনের টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ৪ শতাংশ সুদে দারিকান্দির আমির হোসেনকে ২০২৩ সালের জুনে দুই দফায় ছয় লাখ টাকা দেওয়া হয় ষাঁড়-বাছুর কেনার জন্য। একই বছরের নভেম্বরে ইছাখালীর আব্দুল বাতেনকে তিন লাখ এবং তাঁর ছেলে কামাল হোসেনকে তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। অথচ এদের কারও গরুর খামার নেই। এভাবে সরকারের সুদ ভর্তুকির আওতায় ১২টি ঋণের বিপরীতে মোট ৩৬ লাখ টাকা বিতরণ করা হয় মাহবুব আলম দায়িত্বে থাকা অবস্থায়। বর্তমানে তিনি ফরিদপুর জিএম অফিসে এসপিও হিসেবে কর্মরত। আর নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন মুখ্য আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বর্তমানে উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) হিসেবে মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান। এত অনিয়মের পরও ব্যাংক তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জালিয়াতি করে বিতরণ করা এসব ঋণের প্রায় সবই এখন খেলাপি। এসব ঋণ আদায় করা প্রায় অসম্ভব। যে কারণে শাখাটি শুধু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় চার কোটি টাকা লোকসানে পড়েছে। ব্যবস্থাপকের অ্যাকাউন্টে বিপুল অর্থ লেনদেন তাঁর আয়ের সঙ্গে চরম অসংগতিপূর্ণ এবং মানি লন্ডারিংয়ের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক মাহবুব আলম বলেন, ‘আমার যা বলার অডিট টিমকে বলেছি। আপনার কিছু জানার দরকার হলে তাদের জিজ্ঞেস করেন।’
কুষ্টিয়া শাখায় অনিয়ম
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শনে কৃষি ব্যাংকের কুষ্টিয়া শাখার ঋণের তথ্য সিআইবিতে রিপোর্ট না করাসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়ে। এসব ঋণগ্রহীতার তথ্য ডেটাবেজে আপডেট করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বারবার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা পালন করেনি ওই শাখা। যে কারণে কৃষি ব্যাংককে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
কৃষি ব্যাংক এই জরিমানা মওকুফের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বরাবর আবেদন করে। সেই আবেদন নাকচ করে গত ২ জুলাই পাঁচ লাখ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। এর পর এসব ঋণগ্রহীতার আদৌ অস্তিত্ব আছে, নাকি কর্মকর্তারা টাকা তুলে নিয়েছেন– তা খতিয়ে দেখতে গত ১৯ জুলাই কুষ্টিয়া বিভাগীয় কার্যালয়কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে প্রধান কার্যালয়। একই সঙ্গে এই অনিয়মে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কুষ্টিয়া শাখায় পরিদর্শনে গিয়ে ১৬৫টি ঋণের প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২৩ সালের জুনভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে গত বছর ওই পরিদর্শন হয়। বারবার তাগিদের পরও গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮৬টি ঋণের তথ্য সিআইবিতে জমা দিতে পারেনি শাখা। এখন পর্যন্ত ১৯টি ঋণের কোনো হদিসই দিতে পারছে না শাখাটি। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরিমানার টাকা দায়ী কর্মকর্তাদের থেকে আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক।
কুষ্টিয়া শাখার বর্তমান ব্যবস্থাপক আবু এনান মো. ইসমাইল জানান, ঋণগুলো অনেক আগে সৃষ্টি হয়েছে। এদের অনেকে মারা গেছেন। যে কারণে সিআইবি ডেটাবেজে তথ্য হালনাগাদ করা সম্ভব হয়নি।
ধুঁকছে কৃষি ব্যাংক
উচ্চ খেলাপি ঋণ, রেকর্ড পুঞ্জীভূত লোকসান ও মূলধন ঘাটতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে ধুঁকছে কৃষি ব্যাংক। বিগত সরকারের শেষ সময়ে এসে দুর্বল ব্যাংক নিষ্পত্তিকরণ নীতির আওতায় কৃষি ব্যাংককে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তা আর আলোচনায় আসেনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে কৃষি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা। গত মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৬ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ১৭ হাজার ১০২ কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। মোট ঋণের যা ৪৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির পুঞ্জীভূত লোকসান ছিল আট হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।
সার্বিক বিষয়ে বক্তব্যের জন্য কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সঞ্চিয়া বিনতে আলীর সঙ্গে নানা উপায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সম্প্রতি যোগ দেওয়া চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন সমকালকে বলেন, ‘এ ধরনের কিছু অনিয়ম আমরাও টের পেয়েছি। অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ব্যাংক। পর্ষদ সভা থেকে অডিট কমিটিকে ভুয়া ঋণসহ সব অনিয়ম খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। খেলাপি ঋণ আদায়ে এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।


















