নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে খাতা মূল্যায়নে শিক্ষকদের নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরতার ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, কিন্তু মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না।’
১০ আগস্ট সোমবার সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
খাতা মূল্যায়ন ও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের কঠোর অবস্থানের পেছনে কোনো বিশেষ বার্তা ছিল কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় যতটুকু পরিশ্রম করেছে, ফলাফলও তেমনই হয়েছে। কেউ না পড়লে শিক্ষকরা তাকে বেশি নম্বর দিলে শিক্ষামন্ত্রী সন্তুষ্ট হয় না।’
এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশএসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ
চলতি বছরের ফলাফলে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। এ বছর এসব বোর্ডে ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৮টি।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৬টিতে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৮৬টি। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর শতভাগ প্রতিষ্ঠানে পাস থাকলেও এবার ২৯টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি।
চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে যা ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে পাসের হার ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২। অর্থাৎ জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

















