Monday , 10 August 2026 |
শিরোনাম:

সেন্টমার্টিনে পর্যটক নেই: আছে মিয়ানমার-থাইল্যান্ড থেকে ভেসে আসা প্লাস্টিক বর্জ্য

আসামি বিদেশে, আরেক ব্যক্তিকে হাজির করে জামিন জালিয়াতি : আইনজীবীসহ ২ জনের বিরুদ্ধে বিচারকের মামলা

সাংবাদিকদের স্বার্থে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ : স্কুলের রাস্তা দখলমুক্ত না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে রাস্তা নির্মাণ

জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর বিদায়ী সাক্ষাৎ

এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য

টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার

  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতে সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

প্রতিবেদক
Newsdesk
August 10, 2026 2:57 pm

অপরাধচিত্র ডেস্ক: ৫০০ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে ইসলামী ব্যাংক।

১০ আগস্ট সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য দুদককে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সম্প্রতি ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ কর্পোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষে এই অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম। আর তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চারটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলেও দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত