Wednesday , 19 August 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুমিল্লা
  9. কুষ্টিয়া
  10. কৃষি ও প্রকৃতি
  11. ক্রীড়াঙ্গন
  12. খুলনা
  13. খেলাধুলা
  14. গাইবান্ধা
  15. গাজীপুর

নগরকান্দায় এইচএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চরম অনিয়ম: পিয়ন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দিয়ে মূল্যায়নের অভিযোগ

প্রতিবেদক
Newsdesk
August 19, 2026 12:21 am

মিজানুর রহমান ফরিদপুর প্রতিনিধি:
​ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার দহিসারা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে (সাবেক সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ) ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার খাতা নিয়মবহির্ভূতভাবে মূল্যায়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরি ও কমন রুমে বসে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অফিস সহকারী, পিয়ন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দিয়ে খাতা দেখানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
​স্থানীয় ও প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ আত্তাপ হোসেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রধান পরীক্ষক (হেড এক্সামিনার) হিসেবে সরাসরি ৬০০টি খাতা সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের খাতা নিরীক্ষণের (স্ক্রুটিনি) দায়িত্বে পান তিনি। সব মিলিয়ে তার নিকট প্রায় ২ হাজার ১০৪টি খাতা পাঠানো হয়।
​নিয়মানুযায়ী মূল্যায়নের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকের হলেও অধ্যক্ষ তা অশিক্ষক কর্মচারী, পিয়ন ও হাইস্কুলের শিক্ষকদের দিয়ে করান। প্রকাশ পাওয়া ভিডিওতে প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরিতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের এইচএসসির খাতা মূল্যায়ন করতে দেখা গেছে।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারী জানান, অধ্যক্ষের নির্দেশে বাধ্য হয়েই তারা খাতা মূল্যায়নের কাজ করেছেন। তাদের অভিযোগ, নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনৈতিকভাবে আর্থিক সুবিধালাভ করতেই অধ্যক্ষ এই পথ বেছে নিয়েছেন।
​অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ ও প্রধান পরীক্ষক আত্তাপ হোসেন বলেন, “বোর্ড থেকে আনা ৬০০টি খাতাসহ মোট ২ হাজার ১০৪টি খাতা আমার কাছে রয়েছে। আমি শিক্ষকদের দিয়েই খাতাগুলো নিরীক্ষণ করিয়েছি।”
​বিষয়টিকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে ফরিদপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিষ্ণু পদ ঘোষাল জানান, শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী যিনি খাতা গ্রহণ করবেন, তাকেই তা মূল্যায়ন করতে হবে। এইচএসসির খাতা হাইস্কুলের শিক্ষক বা কর্মচারীদের দিয়ে দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।
​উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হাসানও বিষয়টিকে চরম অনিয়ম আখ্যা দিয়ে জানান, পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ - অপরাধচিত্র বিশেষ

Share via
Copy link