Sunday , 18 October 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর : ইশরাকের দাবি গুজব

প্রতিবেদক
Newsdesk
October 18, 2026 11:52 pm

অপরাধচিত্র ডেস্ক: মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেটিকে গুজব বলে আখ্যায়িত করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
রোববার সন্ধ্যার পর তার পদত্যাগ-সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়লে ইশরাক নিজে গণমাধ্যমকে বলেন, এটা গুজব। এর কোনো সত্যতা এখনো নেই। এমন কোনো সিদ্ধান্ত যদি নেওয়া হয়, তখন এমন উড়ো খবরের মাধ্যমে আসবে না। অবশ্যই সেটা অফিশিয়ালি জানানো হবে। প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে আসবে। গুজবে কান না দিতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন ইশরাক হোসেন। তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইশরাক হোসেন চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর…।’ এ সময় তার হাতে একটি অস্ত্র দেখা যায়।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ভিডিওটি একইদিন বিকাল ৫টার দিকে শেয়ার করেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক। পরে অবশ্য ডিলিট করে দেওয়া হয় ভিডিওটি। ভিডিওর ক্যাপশন লেখা ছিল, ‘ইশরাকের অ্যাকশন: মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে বিক্রেতাদের পুলিশে সোপর্দ’।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় নানান আলোচনা-সমালোচনা।
পরে অবশ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, অস্ত্র নিয়ে কাউকে তিনি ভয় দেখাননি, গুলিও করেননি। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এভাবে অভিযান চালানো হয়েছে।
১৮ অক্টোবর রোববার দুপুরে ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ ব্যাখ্যা দেন।
বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন জানান, গত ১৭ অক্টোবর ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে অভিযোগ পেয়ে আসছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত জুনে মাদকসংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা করেন। মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আধা-সরকারি পত্রও (ডিও লেটার) দেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ ব্যাখ্যা করে ইশরাক হোসেন জানান, কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র থেকে তার নিরাপত্তাঝুঁকি এবং মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে ছাদ থেকে গুলি চালানোর আশঙ্কার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানার কাছে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন।
এ সময় সম্ভাব্য হামলা ও জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি এবং তার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, প্রদর্শিত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দেওয়া লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং এটি আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রীর বিবৃতি অনুযায়ী, ঘটনার পর গেণ্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত