নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, জনগণের ভোটই ক্ষমতার একমাত্র উৎস। কোনো দল বা গোষ্ঠী কাউকে বিজয়ী করার মালিক নয়, এ ক্ষেত্রে আল্লাহ একমাত্র সিদ্ধান্তকারী।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) মালিবাগ, মমিনবাগ এবং শাহজাহানপুরে ধানের শীষে ভোট চেয়ে গণসংযোগকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।এদিন তিনি শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি মৈত্রী সংঘ মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, এলাকার জনগণ যেভাবে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছিলেন, এখনও তারা আমার ও আমার দলের কার্যক্রম বিবেচনা করে আবারও ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একজন প্রার্থী বলেছেন ঢাকা শহরে তারা আমাদের কোনো সিট দেবে না। আমার প্রশ্ন আসন দেওয়ার মালিক তারা কে? আসন দেওয়ার মালিক আল্লাহ। জনগণ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেন। জনগণের ওপরে কথা বলা স্বেচ্ছাচারিতা ও অগণতান্ত্রিক আচরণ। তারা এসব বলার শক্তি পায় কোথায়? আমারতো এখন মনে হচ্ছে একটি বিশেষ শক্তি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা করছে, যা জনগণ প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ।
চাঁদাবাজি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একজন মানুষকে ঘায়েল করতে যেসব অস্ত্র দরকার তারা সব ব্যবহার করছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে মিথ্যা ডকুমেন্টারি বানানো হচ্ছে, বট বাহিনী দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে ফেলা হয়েছে। এসবের কোনো সত্যতা নেই। এই শ্রেণির লোকেরা জাতির সামনে মিথ্যা বলে। আমরা তাদের ৭১ ও ৮৬ সালে দেখেছি। তারা জাতির জন্য কখনো উপকারী নয়।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি চাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। কিন্তু কিছু দলের কথাবার্তা ও একটি মহলের আচরণে মনে হচ্ছে ‘সামথিং ইজ রং’। তবে বাংলাদেশের জনগণ সবসময় সচেতন ও প্রতিবাদী।
তিনি আরও বলেন, ৭১ সালে খালি পায়ে লুঙ্গি পরে জনগণ পাকবাহিনীকে পরাজিত করেছে। আমরা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করেছি, এরশাদকে প্রতিহত করেছি, এবারও সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত হবে, ইনশাআল্লাহ।
এলাকার সমস্যা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, ১৭ বছরে আমার এলাকাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস এই এলাকা ধ্বংস করেছে। এই তিনটি থেকে এলাকাকে রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। আমি কাজ করছি, বাকিটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।
















