Friday , 24 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কুমিল্লা
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. খুলনা
  9. খেলাধুলা
  10. গাইবান্ধা
  11. গাজীপুর
  12. চট্রগ্রাম
  13. চুয়াডাঙ্গা
  14. জাতীয়
  15. জামালপুর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ আজই জোর আলোচনায় মির্জা ফখরুল

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 24, 2026 2:21 pm

অপরাধচিত্র ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও বঙ্গভবন সূত্র নিশ্চিত করেছে—‘তিনি যেকোনো সময় পদত্যাগ করবেন।

’ সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র জানায়, পদত্যাগপত্র প্রস্তুত, আজ শুক্রবার বিকেলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন রাষ্ট্রপতি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই আজ দুপুরে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগির পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন—কয়েক দিন ধরে এমন আলোচনার প্রেক্ষাপটে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন তা নিয়ে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়। রাষ্ট্র পরিচালনা এবং রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম এ ক্ষেত্রে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

দল ও সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবেও মির্জা ফখরুলের নাম তালিকার শীর্ষে। মির্জা ফখরুল নির্বাচিত হলে তিনি হবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।
দলীয় সূত্র জানায়, দলের অনুগত এবং দুঃসময়ের কাণ্ডারি হিসেবে তাঁকেই বিবেচনা করা হচ্ছে পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুলের ইতিবাচক মনোভাব এবং বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি তাঁকে সর্বজন গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। দল-মত-নির্বিশেষে তিনি একজন সজ্জন রাজনীতিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন।

মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, ড. আব্দুল মঈন খান এমপি ও নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের দলের প্রতি আনুগত্য, দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি কমিটমেন্ট রয়েছে। কমিটমেন্ট রয়েছে। দলের বাইরে অরাজনৈতিক ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর নামটিও দলের হাইকমান্ডের তালিকায় রয়েছে বলে দলীয় একটি সূত্র জানায়।

সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘একটি নামই আছে। আপাতত বিকল্প ভাবা হচ্ছে না। দলের আর বিকল্প নেই।’
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বাইরে থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে রাষ্ট্রপতির যোগাযোগ নিয়ে যেসব সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, সেগুলো নাকচ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গতকাল বলেন, ‘এসব সংবাদের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। এগুলো গল্পকাহিনি। পৃথিবী এখন এত ছোট হয়ে গেছে যে ফোন করার জন্য লন্ডন যেতে হয় না। এখান থেকেই যে কেউ কথা বলতে পারেন। মানুষ গল্প বানাচ্ছে।’

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এমপি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই। এগুলো সব গুজব।’

মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে অথবা একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে কে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমপি বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি, রাজনীতি করব। দল বিপদে পড়লে আবার দাঁড়াব। এটিই আমার ধর্ম, এটিই করব। দলে আমি কোনো পজিশনে থাকি বা না থাকি, রাজনীতি করি, দেশ বিপর্যয়ে পড়লে, দল বিপর্যয়ে পড়লে আবার সামনের কাতারে দাঁড়াব।’

নতুন রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। আমি কোনো কর্তৃপক্ষও নই। নতুন রাষ্ট্রপতি যিনি আসবেন তাঁর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই অবগত আছেন। উনার বিভিন্ন মাধ্যম আছে, সব তথ্য উনার কাছে আছে। বাইরে থেকে বলার কিছু নেই।’

সর্বশেষ - রাজনীতি