Sunday , 2 August 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি ও প্রকৃতি
  12. ক্রীড়াঙ্গন
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গাইবান্ধা

​মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব জালিয়াতি: ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন তুলছেন জামায়াত নেতা!

প্রতিবেদক
Newsdesk
August 2, 2026 12:36 am

বরিশাল প্রতিনিধি: ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় এক মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর জালিয়াতি করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সরকারি এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা উত্তোলনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

​অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. মহিউদ্দিন। তিনি একাধারে তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

​একই নামের সুযোগ নিয়ে জালিয়াতি

​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনের মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়। নামের মিল থাকার সুযোগ নিয়ে একই এলাকার জামায়াত নেতা মো. মহিউদ্দিন ২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিধিবহির্ভূতভাবে উক্ত মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বাগিয়ে নেন।

​উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে সারা দেশে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলেও তিনি তা তোয়াক্কা না করে তথ্য গোপন করেন। পরবর্তীতে মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব নম্বর ব্যবহার করে নিয়মিত সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলন শুরু করেন। সর্বশেষে ২০২৬ সালের জুন মাসের এমপিও কপিতেও জালিয়াতি করা একই ব্যাংক হিসাব থেকে বেতন উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।

​সুপারের লিখিত অভিযোগ ও তদন্তের দাবি

​বিষয়টি নজরে আসার পর মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. নুরুজ্জামান মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

​অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা সুপার বলেন: আমি এখানে যোগদানের পর জালিয়াতির ঘটনাটি আমার নজরে আসে। বিগত ২০ বছর ধরে এভাবে জালিয়াতি করে সরকারের লাখ লাখ টাকা অনৈতিকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর সুষ্ঠু সমাধান ও তদন্তের মাধ্যমে বিচার চেয়ে মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেছি। সুষ্ঠু তদন্ত হলে জালিয়াতির সব তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং আত্মসাৎ করা টাকা সরকার ফেরত পাবে।” অভিযুক্তের বক্তব্য

​জালিয়াতির বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. মহিউদ্দিন দাবি করেন, “হিসাব নম্বর একই হলেও আমি ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলিনি।” তবে তিনি প্রকৃতপক্ষে কোন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলেছেন—এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর না দিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। প্রশাসনের পদক্ষেপ

​এ বিষয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেজাউল করিম জানান, লিখিত অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত চালিয়ে অতি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তদন্তে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আত্মসাৎকৃত সরকারি অর্থ আদায়সহ তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

সর্বশেষ - অপরাধচিত্র বিশেষ

আপনার জন্য নির্বাচিত
Share via
Copy link