Monday , 7 September 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি ও প্রকৃতি
  12. ক্রীড়াঙ্গন
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গাইবান্ধা

টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারচেষ্টা: উদ্ধার ৫

প্রতিবেদক
Newsdesk
September 7, 2026 4:35 pm

স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় মানবপাচারের শিকার ৫ জনকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব ১৫। রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ) সূত্রে জানা যায়, টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র সমুদ্রপথে কয়েকজনকে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য জড়ো করেছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল সোমবার রাতে মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকারী দল নুরুল কবিরের বসতবাড়ির সম্মুখস্থ সড়কের কাছাকাছি এলাকায় পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা পাঁচজন ভিকটিমকে উদ্ধার করেন। একই সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। র‌্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা আর্থিক সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে ওই ৫জনকে সমুদ্রপথে নৌকাযোগে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য মধ্যম উপকূলীয় বাহারছড়া-কচ্ছপিয়া এলাকায় একত্রিত করেছিল। র‌্যাব জানায়, পাচারকারী চক্রটি ভিকটিমদের জবরদস্তিমূলক শ্রম ও সেবা আদায়ের অসৎ অভিপ্রায়ে বিদেশে পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের সমুদ্রপথে একটি নৌযানের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযানের সময় পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ভিকটিম ও জব্দ করা মোবাইল ফোন পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করেছে র‍্যাব। র‌্যাবের উদ্ধার করা ভিকটিমদের মধ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা মিনি বাজার এলাকার বাসিন্দা সিফাত, সাইফুল ইসলাম ও শামীম এবং টেকনাফ সদর উপজেলার গোদারবিল এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হামিদ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া পঞ্চম ভিকটিমের নাম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে, টেকনাফ উপকূলকে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে বিদেশে মানবপাচার ঠেকাতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।মানবপাচারসহ সব ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব।

সর্বশেষ - অপরাধচিত্র বিশেষ