Tuesday , 6 October 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে আটকে থাকার পূর্বাভাস, জরুরি সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের

প্রতিবেদক
Newsdesk
October 6, 2026 2:37 pm

অপরাধচিত্র ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। জ্বালানি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা এবং কম রাজস্ব আহরণে ২০২৩ সাল থেকে প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে আছে। আজ প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’-এ বিশ্বব্যাংক এ কথা জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে বিনিয়োগ কমেছে, রপ্তানি গতি হারিয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে ক্রয়ক্ষমতা কমেছে, বেড়েছে ব্যবসার খরচ। তবে রেমিট্যান্স ও রিজার্ভ উন্নত হওয়ায় বাহ্যিক খাত স্থিতিশীল ছিল। জ্বালানি সরবরাহ ধীরে ধীরে সহজ হলে এবং সংস্কার গতি পেলে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যে পড়েছে। কর্মসংস্থান থমকে গেছে, নারীরা চাকরি হারিয়েছেন। খেলাপি ঋণের হার ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের জুনে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জিডিপির ৮ দশমিক ৩ শতাংশ রাজস্ব আহরণ বিশ্বের সর্বনিম্নগুলোর একটি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি আগের অর্থবছরের ৩ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে ফিরতে ব্যাংকিং, রাজস্ব আহরণ এবং জ্বালানি খাতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার দরকার। দরিদ্রদের সুরক্ষা ও ভালো কর্মসংস্থানের জন্য এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও কৃষিতে ভর্তুকি থাকলেও সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেক কোনো সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নেই। প্রতিবেদনে ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বাস্তবায়নকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে। একাধিক খাদ্য ভর্তুকি একীভূত করা এবং ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে নগদ সহায়তা কর্মসূচির উন্নত লক্ষ্যনির্ধারণ যুক্ত করলে আরও ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে তোলা সম্ভব।
একই দিন প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ইকোনমিক আপডেট’ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ, আর ২০২৭ সালে তা কমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হবে।
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুট বলেন, এআই মূল্য শৃঙ্খলার সুযোগ কাজে লাগাতে দক্ষতা, অবকাঠামো ও সহায়ক পরিবেশে বিনিয়োগ করতে হবে।
এশিয়াবিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ ফ্রানজিস্কা ওনসর্গে বলেন, এআই শ্রম উৎপাদনশীলতা ও রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়াতে পারে, তবে এজন্য মৌলিক ঘাটতিগুলো দূর করতে হবে।

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৪৫ কোটি টাকার সোনা আটক

বিমানবন্দরে প্রবাসীদের দুর্দশা-হয়রানি লাঘবে পদক্ষেপ নেবে সরকার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ছাত্রলীগের একাংশের, বন্ধ শাটল ট্রেন-বাস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ছাত্রলীগের একাংশের, বন্ধ শাটল ট্রেন-বাস

জাতিসংঘের সামনে বৈরী আবহাওয়ায় একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

ভাঙ্গায় বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী ২ বন্ধুর

ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দিল বিএনপির ৩ সংগঠন

আর্থিক খাত সংস্কারে বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

নারীকে পেছনে রেখে সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না: দীপু মনি

পাঁচদিন পর আখাউড়া ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী পারাপার শুরু