শনিবার , ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

কান্না আর আর্তনাদে ভারি চীন-মৈত্রী, কাঁদলেন তারেক রহমানও

প্রতিবেদক
Newsdesk
জানুয়ারি ১৭, ২০২৬ ৯:৪২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিগত সরকারের শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের কান্না আর আর্তনাদে ভারি হয়ে ওঠে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। তাদের সঙ্গে কেঁদেছেন তারেক রহমানও।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘মায়ের ডাক’ ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র যৌথ আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

শুরুতেই তারেক রহমান সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় অশ্রুসিক্ত স্বজনদের সান্ত্বনা দেন তিনি।

ভুক্তভোগীর পরিবারগুলোর স্বজনরা জানান, বিগত দিনে বাসা-অফিস বা রাস্তা থেকে তাদের স্বজনদের তুলে নেওয়া হয়েছে। স্বজনদের শেষ পরিণতি কী হয়েছে তা তারা জানেন না। অনেক সন্তান তার বাবার ছবি নিয়ে এসেছেন। তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন। তাকে জড়িয়ে ধরেন।

এ সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তারেক রহমানও। তিনি তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন।

গুম হওয়া পারভেজের কন্যা ঋদি বলেন, ‘এবছর যায়, নতুন বছর আসে কিন্তু আমাদের বাবা আর আসে না। ৫ আগস্টের পর একটা বছরের বেশি পার হয়ে গেল কিন্তু আমরা কাউকে ফিরে পেলাম না।’

কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর শাহবাগ থেকে গুম হওয়া পারভেজ কন্যা ঋদি। ঋদির প্রশ্ন, বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার যে স্বপ্ন দেখছে, তা কি পূরণ হবে আদৌ?

ঋদি বলছিল, ‘আমার বয়স যখন আড়াই বছর তখন থেকে আম্মুর কোলে চড়ে এখানে আসি। ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন বাবার সঙ্গে স্কুলে যাবো কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না।’

মাত্র ২ মাস বয়সে সাফার বাবা নিখোঁজ হন। তার আক্ষেপ কখনো বাবাই ডাকতে না পারার। নেই বাবার সঙ্গে কোনো স্মৃতিও। কাঁদতে কাঁদতে সাফা বলে, ‘একযুগ ধরে বাবার জন্য সবাই অপেক্ষা করছি কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাকে দেখতে পারিনি। অনেক জায়গায় গিয়েছি কিন্তু কোনো খোঁজ পাইনি।’

সমবয়সীদের যখন হাঁটা শেখায় বাবারা, তখন নিজের বাবাকে খুঁজে বেড়ায় ৩ বছর বয়সে বাবাকে হারানো মিম।

কেউ বাবা, কেউ সন্তান, কেউ ভাই আবার কেউ বা হারিয়েছেন স্বামীকে। এখন শুধু সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন পরিবারের সদস্যরা। এসময়, ভুক্তভোগীর স্বজনদের কান্না আর আর্তনাদ শুনে কাঁদেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।

দেড় যুগরেরও বেশি সময় নির্বাসিত জীবন কাটানো বিএনপির চেয়ারম্যান স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি সহমর্মিতা জানান।

ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গুম প্রতিরোধে এমন আইন করবেন যেনো ভবিষ্যতে এই অপরাধ করার সাহস কারো না হয়।’

 

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

সীমান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকায় বিএসএফের প্রতিনিধিদল

গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে তদন্ত কমিশন গঠন করল সরকার

ধর্ষণ মামলার তদন্ত ১৫ দিনে এবং বিচার ৯০ দিনের মধ্যে: আইন উপদেষ্টা

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে: নজরুল ইসলাম

কুমিল্লায় হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১০

বিদেশ যাওয়ার পথে সাবেক ডিএমপি কমিশনারকে আটকে দিলো পুলিশ

কাকরাইল ও আশপাশে মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ

‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো না গেলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে’

এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা: দুই ব্যাংকের ৪৫৬ কর্মকর্তার শাস্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে ঘুষের টাকাসহ পাসপোর্টের হিসাবরক্ষক গ্রেপ্তার