কক্সবাজার প্রতিনিধি :
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে নির্মিত মেজর (অব.) ‘সিনহা স্মৃতিফলক’ উদ্বোধন করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিফলক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি সিনহা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শ্যামলাপুরে সিনহা স্মৃতিফলক উদ্বোধন করেছেন। বিজিবি কক্সবাজার বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সিনহা স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হয়।
এ সময় সেনাপ্রধান তাঁর বক্তব্যে সিনহার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকল্পে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার করেন।
অনুষ্ঠানে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, মেজর সিনহার মা ও বোন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও র্যাবের সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিরস্ত্র মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হন। তিনি ছিলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ এরশাদ খানের ছেলে। ২০০৩ সালের ২১ জুলাই সেনাবাহিনীতে ৫১তম বিএমএ লং কোর্সে যোগদান করেন তিনি। ২০০৪ সালে তিনি কমিশন লাভ করেন। ২০১৩ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আইভরি কোস্টে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।