জাফর আলম, কক্সবাজার থেকে :
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একইসঙ্গে সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে তল্লাশি বৃদ্ধি এবং নাফ নদীতে নৌ-টহলও জোরদার করা হয়েছে।
টেকনাফস্থ ২ বিজিবি জানায়, জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে বিশেষ তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নাফ নদীতে টহল বৃদ্ধি ও চলাচলকারী নৌযানগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যানবাহন ও নৌযানের উপরও কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করতে বিজিবি স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক সভাও আয়োজন করছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে টেকনাফ জেটিঘাটে সংবাদ সম্মেলনে ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান বলেন, দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় বিজিবি সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছে। জ্বালানি তেল পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচারসহ বিভিন্ন সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করছেন। হানিফুর রহমান বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে বিজিবি আধুনিক প্রযুক্তিও ব্যবহার করছে। ড্রোন, থার্মাল ইমেজার, রাডার, বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা, আধুনিক সিগন্যাল সরঞ্জাম, নৌযান এবং ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইন ও সংবিধানের আলোকে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
















