Saturday , 1 August 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুমিল্লা
  9. কুষ্টিয়া
  10. কৃষি ও প্রকৃতি
  11. ক্রীড়াঙ্গন
  12. খুলনা
  13. খেলাধুলা
  14. গাইবান্ধা
  15. গাজীপুর

১০ লাখের চুক্তিতে কিডনি নিয়ে দেওয়া হলো ৫০ হাজার, পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদক
Newsdesk
August 1, 2026 4:16 pm

বিশেষ প্রতিনিধি: দারিদ্র্য ও ঋণের সুযোগ নিয়ে ১০ লাখ টাকায় কিডনি বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে এক দিনমজুরকে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে মানব অঙ্গ পাচারকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। নেপালে নিয়ে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কিডনি অপসারণের পর প্রতিশ্রুত অর্থ না দিয়ে মাত্র ৫০ হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাকে। প্রতারণার শিকার হয়ে অবশেষে সুবিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মন্টু মিয়া নামে ওই দিনমজুর।

​মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৩ জুন জয়পুরহাটের ৫ নম্বর আমলি আদালতে মন্টু মিয়া বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমল নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কালাই থানাকে নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে ১৪ জুন কালাই থানায় এটি এফআইআর (FIR) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

​আসামি ও ঘটনার বিবরণ মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। নামীয় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন ​বগুড়া সদরের সাব্বির আহমেদ, ​শিবগঞ্জের সুমন আলী​জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার কথিত কিডনি দালাল আব্দুল মান্নান ও সাইদুর রহমান,​লওনা-বহুতি গ্রামের আব্দুস ছাত্তার, ​নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরী

​এজাহার সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় এনজিও ও ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের চাপে চরম আর্থিক সংকটে পড়েন মন্টু মিয়া। এই অসহায়ত্বের সুযোগ নেয় মানব অঙ্গ পাচারকারী চক্রটি। তারা মন্টু মিয়াকে জানায়, ঢাকার এক ধনকূপ নারীর জন্য একটি কিডনি প্রয়োজন এবং এর বিনিময়ে তাঁকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। অভাব থেকে মুক্তির আশায় তিনি এতে সম্মতি জানান।

​চক্রটি প্রথমে তাঁকে ঢাকায় এনে পাসপোর্ট তৈরি করিয়ে দেয় এবং চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম প্রদান করে। এরপর ভারত সীমান্ত হয়ে তাঁকে নেপালের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর একটি কিডনি অপসারণ করা হয়।

​প্রতারণা ও আইনি পদক্ষেপ

​অভিযোগে বলা হয়, অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসার অজুহাতে কিছুদিন নেপালে রাখার পর বাকি সাড়ে ৯ লাখ টাকা না দিয়েই মন্টু মিয়াকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দেশে ফিরে তিনি চুক্তির পাওনা টাকা দাবি করলে চক্রটি তা দিতে স্পষ্ট অস্বীকৃতি জানায়। স্থানীয়ভাবে কোনো বিচার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

​এই বিষয়ে জেলা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট উজ্জ্বল হোসেন বলেন, “অসহায় মানুষের দারিদ্র্যকে পুঁজি করে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বেচাকেনা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। সমাজে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

​অন্যদিকে, কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

ঈদের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংস্কার শেষ করার নির্দেশ কাদেরের

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে আইএমও

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ

সাগর-রুনি হত্যা মামলা : তদন্তে আরো ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সর্তক অবস্থানে সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসি

অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসি

৬ কোটি টাকার ‘অবৈধ সম্পদ অর্জনে’ স্ত্রীসহ ইনুর বিরুদ্ধে মামলা

ইসির প্রতীক তালিকায় যুক্ত হলো ‘শাপলা কলি’

‘ফ্রি ফায়ার’ খেলতে খেলতে প্রেম, তরুণীর টাকা-স্বর্ণ হাতিয়ে নিলো দুই প্রতারক