মঙ্গলবার , ১৭ মার্চ ২০২৬ | ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

ঈদে আতঙ্ক পাঁচ অপরাধে

প্রতিবেদক
Newsdesk
মার্চ ১৭, ২০২৬ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঈদ ঘিরে ঘরমুখী মানুষের ঢল শুরু হতে না হতেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে অপরাধী চক্র। মহাসড়কে ডাকাতি, শহরে ছিনতাই, বাসাবাড়িতে চুরি, যাত্রীবাহী যানবাহনে অজ্ঞান ও মলম পার্টির তৎপরতা বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় পাঁচ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণই এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, প্রতি বছর বড় উৎসবের আগে এসব অপরাধ বেড়ে যায়।

নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে মানুষের যাতায়াত এবং রাজধানী ফাঁকা হয়ে যাওয়ার সুযোগ নেয় সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সড়ক ও নগর এলাকায় ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনায় সে আশঙ্কাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল ইফতেখার আহমেদ বলেন, ‘র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে যাচ্ছে। সদর দপ্তর থেকে প্রতিটি ব্যাটালিয়নের কর্মকাণ্ড প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে।

মহাসড়কে ডাকাত আতঙ্ক : সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় দেখা গেছে, মহাসড়কে চলাচলকারী বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কার কিংবা মাইক্রোবাস কোনোটিই ডাকাতদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সংঘবদ্ধ ডাকাতদল কখনো রাস্তা অবরোধ করে, কখনো ভয় দেখিয়ে যানবাহন থামায়। এরপর যাত্রীদের জিম্মি করে নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মারধর ও জখমের ঘটনাও ঘটছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন ডাকাতির ‘ডেঞ্জার স্পট’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার দাউদকান্দি ও চান্দিনা এবং ফেনীর বিভিন্ন অংশে ডাকাতি হয়েছে।

পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, রাত হলেই অনেক সড়ক যেন ডাকাতদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সুযোগ বুঝে তারা বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাসে হামলা চালায়। হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি দেলোয়ার হোসেন মিঞা বলেছেন, ‘অপরাধীরা সাধারণত রাতের সময়টা বেছে নেয়। তবে হাইওয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে। টহলও বাড়ানো হয়েছে।’

রাজধানীতে ৪৩২ ছিনতাইপ্রবণ স্থান : গোয়েন্দা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার আটটি ক্রাইম জোনে ৪৩২টি ছিনতাইপ্রবণ স্থান রয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় ৯৭৯ জন ছিনতাইকারী সক্রিয়। এর মধ্যে মিরপুর ও তেজগাঁও বিভাগে ৩৮৬, মতিঝিল ও ওয়ারী বিভাগে ২১২, রমনা ও লালবাগ বিভাগে ২১৭ এবং উত্তরা ও গুলশান বিভাগে ১৫৪ ছিনতাইকারী সক্রিয় রয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনই ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে আহতরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েও অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা : ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সব জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ভার্চুয়াল আইনশৃঙ্খলা সভায় তিনি বলেন, ‘ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করা আমাদের দায়িত্ব। মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই বন্ধে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে।’ পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানান, ঈদ সামনে রেখে ইতোমধ্যে জেলা পুলিশ সুপারদের বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

রাজধানীতে বাড়ছে ছিনতাই : ঈদ সামনে রেখে রাজধানীতে ছিনতাই বাড়ছে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক এবং এক পুলিশ সদস্যও ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। শনিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে তারাবি নামাজ শেষে হাঁটাহাঁটির সময় ছিনতাইয়ের শিকার হন দুদকের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন। তিন ছিনতাইকারী তাঁর আইফোন, মানিব্যাগ ও হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয়। আইফোনের পাসওয়ার্ড জানতে তাঁকে মারধরও করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা জাবেদ হোসেন সজল মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন।

ডিএমপির বাড়তি নজরদারি : ঈদের আগে রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য ঠেকাতে টহল বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে তল্লাশিচৌকি বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, ঈদের আগে অনেক মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাবেন। এ সময় অপরাধী চক্র সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বাড়ছে অপরাধের পরিসংখ্যান : পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সারা দেশে ছিনতাইসহ দস্যুতার ঘটনায় ১ হাজার ৯৩৫টি মামলা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হয়েছে ১৬৩টি মামলা। এর মধ্যে রাজধানীতে ২৯টি এবং ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৪২টি মামলা হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ ছিনতাই মোটরসাইকেল ব্যবহার করে সংঘটিত হয়। প্রায় ২০ শতাংশ সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এবং বাকি ১৫ শতাংশ কথার ছলে পথচারীদের বিভ্রান্ত করে সংঘটিত হয়। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে উৎসব সামনে রেখে অপরাধের এ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ও কঠোর পদক্ষেপ জরুরি।

 

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

পটুয়াখালীর চারটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

সাকিবকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিশ্রাম দিয়েছে বিসিবি

সাকিবকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিশ্রাম দিয়েছে বিসিবি

হাদিকে গুলি: পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর

যে কারণে ভারতের সিনেমাটি করছেন না ফারিণ

বাংলাদেশে তেল রিফাইনারি কারখানা করতে চায় সৌদি আরব

টাঙ্গাইল শাড়ি ভারতের দাবির ইস্যুটি খুবই ছোট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজি করার জন্য শহীদরা রক্ত দেয়নি: জামায়াত আমির

স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত ‘আপসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়া

দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই ভারতের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর-নবায়ন করা হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

উপজেলা নির্বাচনে এমপিরা হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না