নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর দ্রুত সম্প্রসারিত অঞ্চল খিলক্ষেত ও ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে-সংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি ভবনের উদ্বোধন করেছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে খিলক্ষেত থানাধীন নতুন খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, ঢাকা মহানগরীর বিস্তার, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনার দ্রুত বৃদ্ধি এবং ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে ঘিরে জনসংখ্যা ও যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় খিলক্ষেত থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে বরুয়া, ডুমনি, পাতিরা, তলনা ও আশপাশের এলাকায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং তাৎক্ষণিক পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইজিপি বলেন, এসব এলাকা মূল থানা থেকে তুলনামূলক দূরে হওয়ায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, মাদক কারবার, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক পুলিশি উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। নতুন এই পুলিশ ফাঁড়ি চালুর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ আরও দ্রুত ও কার্যকর সেবা পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আলী হোসেন ফকির বলেন, ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে-সংলগ্ন এলাকায় এই পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রো-অ্যাকটিভ পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।
তিনি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে জনগণ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার, বিপিএম-সেবা। তিনি বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে ডিএমপি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নতুন এই ফাঁড়ি ভবন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’
এ সময় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগণকে পুলিশকে তথ্য ও সহযোগিতা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


















