Thursday , 25 June 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পাশে থাকবে চীন: হুমায়ুন কবির

প্রতিবেদক
Newsdesk
June 25, 2026 9:06 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীন বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতা করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’-এ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরতে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, চীনের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, চীন আঞ্চলিক ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের (আরসিইপি) জন্য বাংলাদেশের আবেদনকে স্বাগত জানায়।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি উত্থাপন করেন। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নিরাপত্তা উদ্বেগ। বাংলাদেশ এই রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান চায়।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মাটির সঙ্গে কোনো আপস করবেন না। তার সরকার এর বিরুদ্ধে সর্বদা একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতিগত ও নিরাপত্তা অবস্থান নেবে। তবে এটি করা হবে দৃঢ় কূটনীতি এবং সংলাপের মাধ্যমে।

প্রধানমন্ত্রী এই সংকট সমাধানে চীনের ভূমিকার ওপর জোর দেন। সমস্যা সমাধানে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাও প্রয়োজন।

চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা সর্বদা ইতিবাচক সহযোগিতার পক্ষে থাকবেন। এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রেও তারা সহায়তা করবেন এবং এই সংকটে তাদের যথাযথ ভূমিকা পালন করবেন।

হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, সফরে অনেক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চীন-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়টি। এই সফরটি ঐতিহাসিক এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এক নতুন সমন্বিত ও গতিশীল উচ্চতায় পৌঁছাবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে শক্তিশালী সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি চীনের জনগণ ও সরকারের পূর্ণ সমর্থন থাকবে। তারা অত্যন্ত আশাবাদী যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং যৌথ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির রূপরেখা চীনের আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উভয় নেতা একমত হয়েছেন, এটি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন ভোরের সূচনা করবে এবং একটি ব্যাপক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব গঠিত হবে, যার আওতায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, বেইজিং-এ দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটিই প্রমাণ করে, বিশ্বনেতারা এখন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক কূটনীতি ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কৌশলগত ও সহযোগিতামূলক বিষয়ে এক নতুন বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এমন একজন প্রভাবক হিসেবে দেখা হয়, যিনি বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক সম্পর্ককে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর জনগণের মঙ্গলের জন্য ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন ও প্রধান অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

 

 

সর্বশেষ - রাজনীতি