অপরাধচিত্র প্রতিনিধি (নারায়ণগঞ্জ): নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে আট বছরের শিশু মারুফ মারা গেছে। ৮ আগস্ট শনিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মা-বাবা এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।
এর আগে ৭ আগস্ট শুক্রবার ভোরে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় একটি টিনশেড ভাড়া বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ওই বাড়ির একটি কক্ষে স্ত্রী বিউটি আক্তার ও ছেলে মারুফকে নিয়ে থাকতেন মাইদুল ইসলাম (২৮)। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘরের গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে কক্ষে জমে ছিল। জানালা বন্ধ থাকায় গ্যাস বের হতে পারেনি। ভোরে মাইদুল সিগারেট ধরানোর সময় আগুনের সংস্পর্শে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মাইদুল, বিউটি ও মারুফকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, মাইদুলের শরীরের ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মারুফের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তিনজনকেই আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
বিস্ফোরণে টিনশেড ঘরটির ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘরের সিলিং, লেপসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে যায়। সিলিং ফ্যানের পাখাও বেঁকে যায়।


















