Monday , 7 September 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি ও প্রকৃতি
  12. ক্রীড়াঙ্গন
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গাইবান্ধা

জব্দ হচ্ছে শেখ হাসিনার সম্পদ: ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মালিকানা কার?

প্রতিবেদক
Newsdesk
September 7, 2026 3:17 pm

অপরাধচিত্র  ডেস্ক: জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ আগেই দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। কীভাবে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে, কোন সংস্থা বাজেয়াপ্ত করবে এবং তা কীভাবে শহীদ পরিবারকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া ঠিক করতে কাজ চলছে।  আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, আইনে অথবা বিধিতে কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি উল্লেখ আছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধানও আছে। কিন্তু কী প্রক্রিয়ায় সেটা হবে, সেটা আছে সাধারণ আইনে। তিনি শুনানিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদের সামনে উল্লেখ করেছিলেন, এ বিষয়ে যাতে একটি সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হলে তাঁর ‘রেট্রোস্পেকটিভ ইফেক্ট’ হয়ে যাবে, অর্থাৎ আগে দেওয়া রায় অনুযায়ী সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা যাবে। চিফ প্রসিকিউটরের মতে, সেটিতে আইনগত কোনো সমস্যা নেই।
কৌতূহল হলো, শেখ হাসিনার নামে কী কী সম্পদ আছে, যা বাজেয়াপ্ত করা যাবে? ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির মালিকানা কি শেখ হাসিনার নামে?

‘ডামি নির্বাচন’ নামে পরিচিত ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩) হলফনামা জমা দিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের ঘোষিত সম্পদের তথ্য জানা যায়। হলফনামায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিজের নামে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছিলেন। তখন নিজের হাতে নগদ অর্থ দেখিয়েছিলেন সাড়ে ২৮ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকার পরিমাণ ছিল প্রায় ২ কোটি ৩৯ লাখ। ছিল ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও ৫৫ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর)।

শেখ হাসিনা হলফনামায় তিনটি মোটরগাড়ি দেখিয়েছিলেন। এর মধ্যে একটি উপহারের। সেটির দাম দেখাননি। বাকি দুটির দাম দেখিয়েছিলেন সাড়ে ৪৭ লাখ টাকা। সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম দেখিয়েছিলেন ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। নিজের আসবাবের দাম ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেখিয়েছিলেন তিনি। শেখ হাসিনা নিজের নামে থাকা কৃষিজমির পরিমাণ দেখিয়েছিলেন ১৫ দশমিক ৩ বিঘা, যার ক্রয়কৃত অংশের মূল্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা, যা টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ সদর, গাজীপুর ও রংপুরে।

গাজীপুর শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় বাংলাদেশ স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পূর্ব পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঘেঁষে রয়েছে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের একটি বাগানবাড়ি।

স্থানীয় ভূমি কার্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৭০ সালের দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এ জমি লিখে দিয়েছিলেন। উত্তরাধিকারসূত্রে জমির মালিক হয়েছেন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। পরে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা জমির কিছু অংশ সন্তানদের লিখে দেন। সেই সূত্রে মালিক হন শেখ হাসিনার সন্তান সজীব ওয়াজেদ ও সায়মা ওয়াজেদ এবং শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক। নথিপত্রে জমির পরিমাণ ২৯৭ শতক (৯ বিঘা)। হলফনামা অনুযায়ী, ঢাকার পূর্বাচলে একটি প্লট রয়েছে শেখ হাসিনার নামে, যার দাম ৩৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তাঁর নামে এবং তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ, ছোট বোন শেখ রেহানা (রেহানা সিদ্দিক), রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকের (রূপন্তী) নামে পূর্বাচলে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সব মিলিয়ে এই পরিবারের ছয়জন মোট ৬০ কাঠা জমি পেয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে এসব প্লট বরাদ্দের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা চলছে। হলফনামায় শেখ হাসিনা তিনতলা ভবনসহ ৬ দশমিক ১০ শতক (আংশিক) জমি নিজের নামে দেখিয়েছেন। এই জমি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। এর অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ লাখ টাকা।

দুদক গত বছরের ২২ মে এক ব্রিফিংয়ে জানায়, শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী হলফনামায় অসত্য তথ্য দিয়েছিলেন। ওই সময় হলফনামায় তিনি নিজ নামে থাকা জমির পরিমাণ ৬ দশমিক ৫০ একর বলে ঘোষণা দেন। কেনার সময় এ জমির অর্থমূল্য দেখানো হয় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

দুদক বলেছে, তারা যাচাই করে দেখতে পায়, ওই সময় শেখ হাসিনার নামে ২৮ একর ৪১ শতকের বেশি স্থাবর সম্পদ ছিল। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে দুদক নির্বাচন কমিশনকে তখন চিঠিও দেয়। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ কার্যকরে কার্যবিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আদেশ ট্রাইব্যুনালের

সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ কার্যকরে কার্যবিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আদেশ ট্রাইব্যুনালের
ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটির মালিকানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের হাতে রয়েছে। শেখ হাসিনার বাসভবন ধানমন্ডির সুধা সদনের মালিকানা রয়েছে সজীব ওয়াজেদ ও সায়মা ওয়াজেদের নামে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাঁদের দুজনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার রায়ে বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হলো। এ মামলার জুলাই শহীদদের ‘কনসিডারেবল অ্যামাউন্ট অব কম্পেনসেশন’ (উল্লেখযোগ্য ক্ষতিপূরণ) দিতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হলো।

ট্রাইব্যুনালের আরও কয়েকটি রায়ে আরও কয়েকজনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। যেমন আশুলিয়ায় হত্যা ও ছয়জনের লাশ পোড়ানোর মামলার রায়ে সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ আছে।

সর্বশেষ - অপরাধচিত্র বিশেষ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি অফিস করবেন বঙ্গভবনে, থাকবেন স্পিকারের বাসভবনেই

দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বিএনপি সরকার : জামায়াতের আমির

তজুমদ্দিনে চোর সন্দেহে ২ জনকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা

সীমান্তে বিজিবি হত্যাকাণ্ডে জাতিসংঘের তদন্ত চায় বিএনপি

সেনাদের সঙ্গে জামায়াতপ্রার্থীর ‘অশালীন’ আচরণ, তদন্তের পর ব্যবস্থা: ইসি

দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় কখনও পিছপা হবো না: বিজিবি মহাপরিচালক

দুএকটি দল নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে : নীরব

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

‘সৌদি গমনেচ্ছুদের প্রতারণা থেকে রক্ষায় কাজ করবে যৌথ টাস্কফোর্স’

ষড়যন্ত্র রুখতে হলে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: তারেক রহমান