নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের গ্যাস সংকট সমাধানে ভোলার চাহিদা পূরণ করে সেখানকার উদ্বৃত্ত গ্যাস মূল ভূখণ্ডে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আগামী এক বছরের মধ্যে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হতে পারে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী অমিত বলেন, দ্রুততম সময়ে ভোলা থেকে গ্যাস এনে শিল্প খাতে সরবরাহ করা গেলে এটি একটি বিকল্প হতে পারে।
পাশাপাশি মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে আমদানির বিষয়টিও স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) স্থাপনের মাধ্যমে মধ্যমেয়াদি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
আর দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এফএসআরইউ স্থাপন করতেও সময় প্রয়োজন।
তাই এর পাশাপাশি দ্রুত সমাধানের জন্য ভোলার উদ্বৃত্ত গ্যাস আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে ভোলার মানুষের চাহিদা, সেখানকার শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা পূরণের পর যদি অতিরিক্ত গ্যাস থাকে, সেটিই মূল ভূখণ্ডে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
কবে নাগাদ ভোলার গ্যাস আনা সম্ভব হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সমীক্ষা চলছে। এরপর ভোলার জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আশা করা হচ্ছে, এক বছরের মধ্যে ভোলায় উদ্বৃত্ত গ্যাস থাকলে তা মূল ভূখণ্ডে আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্র বা শিল্পকারখানায় সরাসরি গ্যাস সরবরাহ করা যাবে।
ভোলার সঙ্গে পাইপলাইন নির্মাণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প। বরিশাল হয়ে পাইপলাইন নির্মাণের যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটি নিয়ে কাজ চলছে। এর জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও অর্থায়নের বিষয় রয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি-তিন পর্যায়েই গ্যাস সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে।

















