Sunday , 20 September 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

জুলাইয়ের ঘটনায় জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রতিবেদক
Newsdesk
September 20, 2026 7:40 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মামলার পলাতক পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল।

মামলার আট আসামি হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

আসামিদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আ ক ম জামাল উদ্দীন ও তানভীর হাসান সৈকত বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপর পাঁচজন—মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবাল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও মাজহারুল কবির শয়ন—পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেওয়া হয়েছে।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় আসামিদের ভূমিকা ছিল। তাদের বিরুদ্ধে উসকানি, ষড়যন্ত্র, অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা এবং সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানিয়েছেন, তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্যসহ কয়েকজনের উসকানিমূলক বক্তব্য ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার পথ তৈরি হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।
মাকসুদ কামাল সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ১৭ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন, তিনি দেশে আছেন এবং প্রসিকিউশনের নজরদারিতে রয়েছেন। একই ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছিলেন, কোনো আসামি পলাতক থাকলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে।

এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গত ৬ আগস্ট প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেওয়া হয়। পরে তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র যাচাই করে ১৬ সেপ্টেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।

এদিকে সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্য একটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। ওই মামলায় সাত আসামির সবাই পলাতক বলে ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত